ইউরো কাপের উদ্বোধনী ম্যাচ। ঘরের মাঠে বিধ্বংসী মেজাজে জার্মানি। মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ৫-১ গোলে স্কলল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় তিনবারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের। জার্মানির হয়ে গোলগুলো করেন ফ্লোরিয়ান ভিরৎজ, জামাল মুসিয়ালা, কাই হাভার্টজ, নিকলাস ফুয়েলখুগ ও এমরে কান। জার্মানির এমন আক্রমণাত্মক ফুটবলের কোনো জবাবই যেন জানা ছিল না স্কটিশদের। ম্যাচে ৭০ শতাংশের বেশি সময় বল নিজেদের দখলে রেখেছিল জার্মানরা। বিপক্ষের গোলে ২০টি শট, যার ১০টি ছিল লক্ষ্যে। উল্টোদিকে স্কটিশরা কেবল একটিমাত্র শট নিতে নিতে পেরেছিল। তাও সেটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। নিজেদের ভুলেই একটি গোল হজম করে জার্মানরা।

কোচের ভরসা বারেল্লা
ইউরো কাপে সেরার শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে স্পালেত্তির কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বারেল্লা। ফলে চোট সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, দেশের এই স্টার মিডফিল্ডারকে স্কোয়াডে রেখেছেন কোচ। পেশির সমস্যার কারণে জাতীয় দলের হয়ে শেষ দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারেননি বারেল্লা. স্পালেত্তি জানিয়েছেন, এখন অনেকটা ভালো আছেন ২৭ বছর বয়সী বারেল্লা। কোনো সমস্যা ছাড়াই বৃহস্পতিবার অনুশীলন করেছেন তিনি। আলবেনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আজ এবারের ইউরো কাপের পথচলা শুরু করবে ইতালি।

তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার লড়াই
একটা দল কাতার থেকে ফিরেছিল তৃতীয় হয়ে। অন্য দলটি তিন বছর আগে ইউরো কাপ থেকে ফিরেছিল সেমিফাইনালে পরাজিত হয়ে। সেই সব এখন অতীত। এবার নতুন যুদ্ধ। আর সেই লড়াইয়ের জন্য তৈরি ক্রোয়েশিয়া ও স্পেন। গত কয়েক বছর ক্রোটরা নিজেদের শক্ত করে ধরে রেখেছে। অন্যদিকে সংস্কারের মধ্যে দিয়েই গিয়েছে তরুণ স্পেন। প্রাক্তনদের দাবি, এই ম্যাচে মোরাতাদের হারাতে হলে তাঁদের দৌড় থামাতে হবে ক্রোটদের। লুকা মদ্রিচ নির্ভরতা কাটিয়ে বের হতে হবে। কারণ, দে ফন্তের দলের আসল প্রাণ মাঝমাঠ। একবার এই দখল যদি ক্রোটরা হারিয়ে ফেলে, তাহলেই খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারে স্প্যানিশরা। নজর থাকবে লা রোজার পাসিং ফুটবলের দিকে।

ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই
পঞ্চাশের দশকের বিখ্যাত দল হাঙ্গেরি। পরিচিত ছিল ‘ম্যাজিকাল ম্যাগিয়ার্স’ নামে। ১৯৮৬ সালের পর আর বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। ২০১৬ ইউরো দিয়ে ৩০ বছর পর বড় টুর্নামেন্টে ফিরে, সেবার অবশ্য শেষ ষোলোর যোগ্যতা অর্জন করেছিল হাঙ্গেরি। তবে ২০২০ ইউরোয় বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকেই। আর এবারের ইউরোর প্রথম ম্যাচে কলোনে, শনিবার। ৮৬ বছরের মধ্যে প্রথমবার বড় টুর্নামেন্টে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হাঙ্গেরি। ১৯৮১ সালের পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সুইসদের হারাতে পারেনি হাঙ্গেরি। দুই দলের সবশেষ ৯ দেখায় ৬টিতেই তারা হেরেছে। তাদের সবশেষ জয় ১৯৯৮ সালে, প্রীতি ম্যাচে।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

