সকালে উঠে চা নাকি কফি, কী খেলে পাবেন উপকার?

।। মধুরিমা ভৌমিক ।।

চা না কফি, কোনটা ভাল স্বাস্থ্যের পক্ষে পুষ্টিবিদদের পরামর্শে উঠে এল নানা তথ্য। বাঙালি মানেই গরম ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক না দিলে দিনটাই যেন শুরু হয় না। বিকেলে এক কাপ কফির জন্য মন কেমন করে। চা কফি ছাড়া আমরা অচল। শরীর ক্লান্ত হলে এক কাপ কফি হলে আর কিছু চাই না। তবে আজকাল সকলেই স্বাস্থ্য সচেতন। অনেকে চা-কে স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী মনে করেন। আবার অনেকের পছন্দ কফি। স্বাস্থ্য সচেতনরা ব্ল্যাক কফিতেই আস্থা রাখেন। চা না কফি, কোনটি বেশি উপকারী। পুষ্টিবিদেরা কী বল‌ছেন আসুন জেনে নেওয়া যাক।

১. চায়ের থেকে দ্বিগুণ পরিমান ক্যাফিন রয়েছে কফিতে। ক্যাফিনের প্রতি যাঁরা আসক্ত, তাঁদের চায়ের প্রতি আসক্তি কম। ক্যাফিন সকলের শরীরের জন্য ভালো নাও হতে পারে। তাই সে ক্ষেত্রে চা খাওয়াই ভাল। তবে চেষ্টা করতে হবে চিনি, দুধ ছাড়া লাল চা খেতে।

২. কফি খাওয়া হার্টের জন্য ভাল। দিনে দু–চার বার চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি খেলে শরীরের বিপাকক্রিয়ার হার বাড়ার সাথে ওজনও কমে। তবে মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে অথবা অনিদ্রা ভোগালে ঘন ঘন কফি খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।

৩. চা ও কফি দু’টিতেই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল থাকে, যা হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

৪. গ্রিন টি পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্যে করে এবং ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্যেও উপকারী। দিনে ২ থেকে ৩ কাপ গ্রিন টি খেলে উপকার হয়। তবে একদম ভরা পেটে বা খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়া ঠিক নয়।

৫. পুষ্টিবিদদের মতে প্রতি দিন বার বার কফি খেলে রক্তচাপের তারতম্য হতে পারে।

৬. নিয়মিত সকালে খালি পেটে দুধ চা খাওয়ার অভ্যাসও ঠিক নয়। এতে বিপাকক্রিয়ার হার কমে যায়। অনেকেই দুধ চায়ে আদা মেশান, এতে গ্যাসের সমস্যা বাড়ে।

পুষ্টিবিদেদের পরামর্শ, চা খান বা কফি, পরিমান মতন খান। যদি খুব মানসিক চাপ বা উত্তেজনা থাকে, তা হলে চা-কফি খাওয়ার অভ্যাস ছেড়ে দেওয়াই ভাল।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube