।। স্নেহা চক্রবর্তী ।।
ঘুম-ঘুম উত্তেজনায় রাতে ঘুম আসছে না। ঝোঁক বাড়ছে মুঠোফোনে । সকাল হলেই ছুটছেন নিজের কাজে। থাকছে মাথা ভার। নিজেই ডেকে আনছেন নিজের ভয়ঙ্কর ক্ষতি।
রাতের বেলা একদৃষ্টিতে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে ঘুমের অপেক্ষা করছেন ঠিকই কিন্তু ঘুম ঠিক নাকের ডগা দিয়ে পিছলে পগাড় পাড়। রাত বাড়লেই মোবাইলের নীল আলো টানছে। চোখ ভেদ করে একেবারে মাথায় গিয়ে লাগছে সেই আলো। ফলে থাকছে মাথা ভার হয়ে থাকা। আর বারোটা বাজছে ঘুমের। সারাদিন সতেজ থাকার জন্য ভাল ঘুমের প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম মন ও শরীরকে সুস্থ ও তরতাজা রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সারাদিনের ক্লান্তির পর ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার ঘুম শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
এই যে ঘুম আসছে আসছে করেও আসে না, তার অনেক কারণ। চিকিৎসকেরা বলেন, এটাও একপ্রকার রোগ। শরীরও একটা যন্ত্র। তারও সুইচ অফ দরকার হয়। আপনি সারাদিন নিজের কাজে ছুটছেন কিন্তু সময় মতো খাওয়ার পাশাপাশি শরীরে ঘুমটাও দরকার। শরীরের পেশীরা বিশ্রাম চায়, স্নায়ুরা ঝিমিয়ে পড়ে, চোখের পাতা ঝাঁপ বন্ধ করতে চায়। তখনই ঘুম নেমে আসে। আর ক্লান্ত শরীরেও যদি ঘুম না আসে তার মানেই গণ্ডগোল বেঁধেছে ধরে নিতে হবে। ঘুম না আসার রোগকে বলে ‘স্লিপিং ডিসঅর্ডার’ । তবে এই রোগের রকমভেদ আছে। যার শরীরে যেমন অস্বস্তি তার রোগের ধরনও তেমন।
প্রতি রাতেই ঘুমের বারোটা বাজছে? দেখে নিন কি করবেন-
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যান।
ঘুমোনোর আগে মনকে শান্ত করুন। ধ্যান করুন।
মুঠোফোনের ব্যবহার ঘুমোনোর একঘণ্টা আগেই বন্ধ করুন।
রাতে কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খান।
ঘুমানোর আগে অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
ঘুমোনোর অত্যন্ত ৪-৫ ঘণ্টা আগে ব্যায়াম করুন।
ঘরে আলো হালকা এবং আরামদায়ক হতে হবে।
ঘুমোনোর আগে স্নান করলেও উপকার মিলবে।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

