সপ্তম দফা ভোটের আগে শেষ রবিবার প্রচারে বেরিয়ে বাধার মুখে দক্ষিণ কলকাতার বামপ্রার্থী সায়রা শাহ হালিম ও মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রীটে মিছিল পৌঁছাতেই পুলিশ বাধা দেয়। এই হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রীটের বাসিন্দা খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন দুই বাম নেত্রী। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
জানা গিয়েছে, এদিন সকালে দক্ষিণ কলকাতার বামপ্রার্থী সায়রা শাহ হালিমের সমর্থনে মিছিলে হাজির ছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। অভিযোগ, হরিশ হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রীটে মিছিল পৌঁছাতেই পুলিশ বাধা দেয়। ১৪৪ ধারা জারি আছে বলে প্রচার সম্ভব নয় বলে জানানো হয় পুলিশের তরফে। এমনকি রাস্তায় ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়। এরপরই বাম সমর্থকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি। ব্যারিকেড ভেঙে মীনাক্ষীরা এগিয়ে যেতে চায় বলে পাল্টা অভিযোগ পুলিশের। উত্তেজনা ছড়ায় গোটা এলাকায়।
এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় সরব হন দুই বাম নেত্রী। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় দাবি করেন, কেন যাওয়া যাবে না তা পুলিশকে জানাতে হবে। দক্ষিণ কলকাতার সিপিএম প্রার্থী সায়রার অভিযোগ, প্রচার আটকে গুণ্ডাদের মত আচরণ করছে পুলিশ। বাম নেতা তথা দমদমের সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী পুলিশের এই আচরণের নিন্দা জানিয়ে তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন। তাঁর কথায়, প্রদীপ নিভে যাওয়ার আগে যেমন দপ দপ করে এখন তৃণমূলের সেই হাল হয়েছে। শাসক দলের শেষ দশা এসে গিয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন সুজন চক্রবর্তী।
উল্লেখ্য, আগামী ১ জুন কলকাতা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ। ১৯৯৮ সাল থেকে এই কেন্দ্র তৃণমূলের দখলে ছিল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) খোদ কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ ছিলেন। ২০১৯-এর পর ২০২৪-এও মালা রায়কেই টিকিট দিয়েছে শাসক দল। অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী রায়গঞ্জের বিদায়ী সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। বামেদের তরফে টিকিট দেওয়া হয়েছে সায়রা শাহ হালিমকে। তৃণমূল আসন দখলে রাখতে পারবে কিনা সেদিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

