জেল হেফাজতে আরাবুল ইসলাম। দু’দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বারুইপুর মহকুমা আদালত। আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারি তাঁকে ফের পেশ করা হবে আদালতে।
২০২৩ সালের পঞ্চায়েতে নির্বাচনের সময় আইএসএফকে মনোনয়ন দিতে বাধাদানের অভিযোগ উঠেছিল ভাঙড়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সেখানে এক আইএসএফ কর্মী খুন হন। বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি স্থানীয় থানায় আরাবুলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এছাড়া বিজয়গঞ্জ বাজারে বোমাবাজির ঘটনাও ঘটে সেই সময়। সেসবের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, অশান্তি, অস্ত্র রাখা-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল।
এরপর পুলিশ প্রশাসনে বেশ কিছু রদবদল আসে। ভাঙড় এলাকা কলকাতা পুলিশের অধীনে আসে। ভাঙড় এলাকায় তিনটি থানা ছিল। তা সংযুক্তি, বিযুক্তির মধ্যে দিয়ে ভেঙে ৯টি থানা হয়েছে। সেই হিসেব অনুযায়ী উত্তর কাশীপুর থানা আরাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখছিল। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে তোলা হলে আরাবুলকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ২১শে ফেব্রুয়ারি ফের তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের জন্য আরাবুলের পুলিশ হেফাজতের আর্জি জানান সরকারি আইনজীবী। তবে তা নাকচ করা হয়। আরাবুলকে ২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

