বহরমপুর নিবাসী বিশ্বময়ানন্দ কনিকা। রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে পায়ে হেঁটে মুর্শিদাবাদ থেকে রাম মন্দির যাত্রা করেছিলেন। দীর্ঘ ৯০০ কিলোমিটার পথে চড়াই উতরাই ছিল। দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েও পিছিয়ে আসেননি। অবশেষে ফিরে এলেন বাড়ি। রাম মন্দির থেকে নিয়ে এসেছেন প্রসাদ। পায়ে হেঁটে প্রভু রাম চন্দ্রের দর্শন করতে পেরে বেশ খুশি প্রকাশ করেছেন বিশ্বম্ভর কণিকা ।
পেশায় টোটো চালক।আর টোটো চালিয়ে চলে সংসার যাপন। দীর্ঘ প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে অযোধ্যায় পৌঁছাতে তার সময় লাগে আনুমানিক প্রায় ২ মাস সময় লাগে। তার সঙ্গে ছিল নিজের বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হনুমানজীর মূর্তিটিও। বহরমপুরের হাতিনগরের বাসিন্দা বিশ্বম্ভর কণিকা।হাতিনগর এলাকা থেকে পায়ে হেঁটে অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন বিশ্বম্ভর কণিকা নামে ওই ব্যক্তি।
বিশ্বম্ভরের কথায়, হনুমানজীকে রামের সাক্ষাৎ পাইয়ে দিতেই সুদীর্ঘ এই পদযাত্রার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ছিলেন। সেই মোতাবেক যথারীতি পরিবার সদস্যদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। অবশেষে বাড়ি এসেছেন বিশ্বম্ভর কণিকা। বাড়ি ফিরে আসতেই খুশি পরিবারের সদস্যরা এমনকি পাড়া প্রতিবেশীরাও।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

