ট্রাফিক পুলিশের দাদাগিরি, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে আক্রান্তের পরিবার

ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে উঠল দাদাগিরির অভিযোগ । ট্রাফিক চেক পয়েন্টে রাখা ড্রপ বক্সে ফেলা জরিমানার টাকার রসিদ অহবা ‘রিসিভ্ড কপি’ চাওয়াতেই ঘটল বিপত্তি । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার এক কর্মীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে । রবিবারের দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের কাছে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ ।

ফের ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ । জরিমানার এক হাজার টাকার রসিদ চাওটাই হয়ে গেল অপরাধ! আর সেই অপরাধে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে । গুরুতর জখম ওই ইস্পাত কারখানার কর্মীর নাম কুমারেশ রায় ।

ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ । দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর আইস্টাইনের বাসিন্দা কুমারেশ রায় সপরিবারে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে গিয়েছিলেন । অভিযোগ চার চাকা গাড়ি নিয়ে যখন গান্ধীমোড় সংলগ্ন রিকল পার্কের ট্রাফিক চেক পয়েন্টে আসেন, তখন সিট বেল্ট না পড়ার সাথে গাড়ির লাইসেন্স নবীকরণের সময়সীমা গত নভেম্বর মাসে মেয়াদ পেড়িয়ে যাওয়াতে জরিমানা করা হয় তাঁর । জরিমানার টাকা হিসেবে ১০০০ টাকা চাওয়া হয় । এই টাকাটা ড্রপ বক্সে ফেলে দেওয়ার জন্য বলা হয় তাঁকে । এতে আপত্তি তোলেন কুমারেশ বাবু ও তার ছেলে কল্লোল রায় ।

ট্রাফিক পুলিশের কাছে এদিন এই পরিবার দাবি করেন, হয় তিনি অনলাইন পেমেন্ট নিন, আর তাতে যদি অসুবিধে থাকে তাহলে ১০০০ টাকার জরিমানার ‘রিসিভ কপি’ দিন ওই ট্রাফিক পুলিশ । আর অশান্তির শুরুটা এইখান থেকেই । একই সঙ্গে অভিযোগ ওঠে, কুমারেশ বাবুর বারবার এই রিসিভ কপি চাওয়া আর জরিমানার টাকা জমা দেওয়ার ড্রপ বক্সের ছবি তুলতে গেলে তাকে সামনের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয় তাঁকে । আক্রমণের জেরে ডান চোখে গুরুতর আঘাত পান কুমারেশ বাবু । এরপর অবস্থা বেগতিক বুঝে শেষ পর্যন্ত ২০০০ টাকার ফাইনের একটি রিসিভ দিয়ে তাঁদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি আহত ব্যক্তির ।

এখন এই আক্রান্ত পরিবারের প্রশ্ন, যদি এই টাকা বৈধ পথে রিসিভ কপি দেওয়াই হলো তাহলে এতো মারধর করা হলো কেন? পরে যদি ২০০০ টাকাই নেওয়া হল তাহলে কেন আগে ১০০০ টাকা কোন রকম রসিদ ছাড়াই ট্রাফিক চেক পয়েন্টে রাখা টিনের ড্রপ বক্সে ফেলতে বলা হল আগে ? ইতিমধ্যে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশকে ঘটনা নিয়ে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়ে মেল করা হয়েছে বলে জানা যায় । দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার কর্মী কুমারেশ বাবুর ছেলে কল্লোল রায় পুনেতে তথ্য প্রযুক্তির কর্মী । এখন এই কর্মকান্ডের জেরে রীতিমতো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন গোটা পরিবার ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube