নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : বহু আকাঙ্খিত করোনা টীকাকরণ চালু হয়েছে দেশজুড়ে। কেন্দ্রের তরফে শুরুতেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল প্রাথমিক ভাবে টীকা দেওয়া হবে তিন কোটি স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের।কিন্তু বাংলায় সে নিয়মের তোয়াক্কা করলেন না রাজ্যের শাসকদলের বিধায়ক-কাউন্সিলররা।করোনা যোদ্ধাদের বঞ্চিত করে টীকা নিলেন দুই বিধায়ক, এক প্রাক্তন বিধায়ক ও এক কাউন্সিলর।
রাজ্যে যে জনপ্রতিনিধিরা আগে টীকা নিয়ে নিতে পারেন সে বিষয়ে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিরোধীরা। হলও তেমনটাই। ভাতারের তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মন্ডলকে দেখা গেল টীকা নিতে। ভাতারেরই প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বনমালী হাজরাও নিলেন টীকা। টীকা নেন আরেক শাসক দলের আরেক বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ও। আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তীরও নাম ছিল টীকা প্রাপকের তালিকায়। যদিও বিতর্ক শুরু হতেই তিনি নিজের নাম তুলে নেন তালিকা খেকে। সল্টলেকের এক কাউন্সিলরও টীকা নিয়েছেন। সবক্ষেত্রেই নিজেদের রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্যপদকে ঢাল করেছেন বিধায়করা। এভাবে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে জনপ্রতিনিধিরা টীকা নেওয়া ঘিরে ইতিমধ্যে আশঙ্কার কালো মেঘ দেখতে শুরু করেছেন অনেকে। তারা মনে করছেন প্রথম দিনেই যদি এই অনিয়মের ছবি ধরা পড়ে তবে আগামী দিনে তা আরো বড় আকার নিতে পারে।Latest posts by new_author (see all)
- লকআপ থেকে উধাও বন্দী - January 8, 2023
- নতুন বছরে সিদ্ধি বিনায়কে ভিকি-ক্যাটরিনা - January 6, 2023
- মেসির সংসার, হাতে বিশ্বকাপ, পাশে ১০ নম্বর জার্সিতে পরিবার - December 19, 2022

