নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব কিছু ঠিক থাকলে সেখান থেকেই তিনি পয়লা অক্টোবর রাজ্যবাসীকে উপহার দিতে চলেছেন ‘পথশ্রী প্রকল্প’টি। ওই দিন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। ওই দিন সেখানে একটি প্রশাসনিক পর্যালোচনামূলক বৈঠকেও যোগ দেবেন তিনি। ‘পথশ্রী প্রকল্প’টির মাধ্যমে রাজ্য সরকার সড়ক সংক্রান্ত সমস্ত প্রকল্পকে এক ছাতার তলায় এনে এই প্রকল্প তৈরি করছে। সড়ক নির্মাণ এবং তার সংস্কারের কাজে গতি আনতে এবং বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সমস্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পকে এক ছাতার তলায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে নতুন তৈরি হওয়া বা সংস্কার হওয়া রাস্তায় এই প্রকল্পের নামে বোর্ড বসানো হবে। যেখানে প্রকল্প তৈরীর খরচ সহ বিভিন্ন খুঁটিনাটির উল্লেখ থাকবে।
এদিন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব এম ভি রাও এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান যে আগামী ১ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী রাজগঞ্জ থেকে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন যার প্রাথমিক লক্ষ্যই হল গ্রামীণ রাস্তার যথাসম্ভব সংস্কারসাধন। সাধারন প্রতি বছর বর্ষার আগে ও পরে গ্রামীণ রাস্তার সংস্কার সাধন করা হয়। কিন্তু এই বছর করোনার আবহে বর্ষার আগে সেই রাস্তা সংস্কারের কাজে হাতই দেওয়া যায়নি। তাই গ্রামীণ এলাকার রাস্তাঘাটের বর্তমান অবস্থা একদমই ভালো নয়। চলতি বছরে পুজোর সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নেওয়ার কথা। তাই রাজ্য সরকার চাইছে উৎসব মরশুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন গ্রামীণ রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে যাক। মাঝের সময়ের মধ্যে টেন্ডার ডাকা ও তা নিয়ে কোন কোন এলাকায় কোন কোন ঠিকাদার কাজ পাবেন তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন পুজোর আগেই গ্রামের রাস্তাঘাট পুরো সারাই করে ফেলতে। এর জন্য প্রায় ২৭০০কিমি রাস্তা চিহ্নিত হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে ৪০০ কিমি রাস্তা সারাইয়ের কাজও শেষ হয়ে গিয়েছে। আগামী ১ তারিখ এই রাস্তাগুলিই উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।
এর পাশাপাশি সামনের বছর মার্চ-এপ্রিল মাসের থাকবে রাহ্য বিধানসভা নির্বাচন। তাই সেই সময়ে রাস্তা নির্মাণ বা সারাইয়ের কোনও কাজ করা যাবে না। কার্যত বাংলার ভোটের দিনক্ষন ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরে পরেই লাগু হয়ে যাবে আদর্শ নির্বাচন আচরণবিধি। তখন নতুন করে কোনও কাজেই হাত দেওয়া যাবে না। তবে শুরু হওয়া কাজ ওই সময়ে শেষ করা বা চালিয়ে যাওয়া যায়। সেই কথা ভাবেই মুখ্যমন্ত্রী পুজোর পরে পরে করেই রাজ্যজুড়ে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ শুরু করে দিতে চান যাতে তা সামনের বছরে বর্ষার আগেই শেষ হয়ে যায়। একই সঙ্গে গ্রামীণ ভোটব্যাঙ্কও যেন শাসকদলের অনুকুলেই থাকে।
- লকআপ থেকে উধাও বন্দী - January 8, 2023
- নতুন বছরে সিদ্ধি বিনায়কে ভিকি-ক্যাটরিনা - January 6, 2023
- মেসির সংসার, হাতে বিশ্বকাপ, পাশে ১০ নম্বর জার্সিতে পরিবার - December 19, 2022

