লোকসভা ভোটের আগে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

মঙ্গলবার ছয় রাজ্যে (জেনারেল এবং পুলিশ) স্পেশাল অবজারভার নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন । অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ করা হল স্পেশাল অবজারভার । এছাড়া পাঁচ রাজ্যে নিয়োগ করা হল স্পেশাল এক্সপেন্ডিচার অবজারভার । এই পাঁচ রাজ্য হল অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, ওড়িশা, তামিল নাড়ু এবং উত্তরপ্রদেশ ।

এবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সহ আরও পাঁচটি রাজ্যে স্পেশাল অবজারভার অথবা বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন । পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ । রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে তথ্য পাঠানোর জন্য এই স্পেশাল অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে ।

পশ্চিমবঙ্গে জেনারেল স্পেশাল অবজারভার হিসাবে নিযুক্ত হচ্ছেন উত্তর প্রদেশের ১৯৮৬’র ব্যাচের রিটায়ার্ড আইএএস অফিসার অলোক সিনহা । পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল পুলিশ অবজারভার হিসাবে নিযুক্ত হচ্ছেন পাঞ্জাবের ১৯৮৪ ব্যাচের আইপিএস অনিল কুমার শর্মা ।

এই প্রসঙ্গে নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা ও দায়িত্ত্ব কী হতে চলেছে তা নিয়েও জানিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ।

বিশেষ পর্যবেক্ষকরা রাজ্যের রাজধানীর শহরে অবস্থান করবেন এবং প্রয়োজনে সংবেদনশীল এলাকা বা জেলায় সফর করবেন । তারা তাদের কাজে হস্তক্ষেপ না করে যেখানে প্রয়োজন সেখানে রাজ্যের সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা / বিধানসভা নির্বাচনী এলাকা / জেলাগুলিতে নিয়োজিত পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে সময়ে সময়ে প্রয়োজনীয় ইনপুট চাইতে পারেন ।

১) এই বিষয়ে তাদের একটি সমন্বিত পদ্ধতি থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় যৌথ প্রচেষ্টা চালানো হবে বলে জানা যায় ।

২) প্রয়োজনে তাঁরা ইনপুট চাইতে পারেন এবং পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমের সাথে জড়িত বিভিন্ন সংস্থার আঞ্চলিক প্রধান এবং নোডাল অফিসারদের সাথে সমন্বয় করে চলবেন ।

৩) সীমান্ত এলাকায় তাঁদের বিশেষ ফোকাস থাকবে এবং প্রলোভন প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সীমান্ত সংবেদনশীলতার উপর কাজ করবেন তাঁরা । একই সঙ্গে জনসাধারণের অভিযোগের প্রতিকারের জন্য ইনপুট চাওয়ার জন্যও কাজ করবেন তাঁরা ।

8) তারা গুণগত নিরীক্ষণের উপর ফোকাস করবেন, যেমন নির্দেশিকাগুলি অক্ষরে ও চেতনায় বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, আন্তঃসংস্থা সমন্বয়, মিথ্যা বর্ণনার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিক্রিয়া, করণীয় এবং অকরণীয়গুলির সম্মতি নিশ্চিত করা এবং ভোটের আগে শেষ ৭২ ঘন্টা সতর্ক নজরদারি নিশ্চিত করা । লক্ষ্য একটাই, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ।

৫) তারা কমিশন বা জোনাল ডেপুটি ইলেকশন কমিশনারদের দ্বারা পরিচালিত ডিইও/এসপি/আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মিটিং-এও অংশগ্রহণ করবেন যাতে তারা তাদের মূল্যবান ইনপুট এবং অতীত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে্ন।

পাশাপাশি স্পেশাল অবজারভারদের অন্যতম দায়িত্ব থাকবে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর নজর রাখা । আধিকারিকদের বদলি, ভোটিং মেশিন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে কি না তার উপর নজর রাখাঅ তাঁদের দায়িত্বে থাকবে ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube