স্ত্রী-সন্তানকে অস্বীকার!নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্বিতীয় স্ত্রী
3 years ago 1 min read
নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক :
।। শুভশ্রী মুহুরী ।।
বলিউডে অন্য ধারার অভিনেতা হিসেবে তামাম প্রশংসা কুড়িয়েছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী।অভিনয় জীবনের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঠিক ততটাই চর্চা হয়েছে, হয়ে চলেছে।তবে বর্তমানে অভিনেতাকে নিয়ে চর্চার সূত্রপাত তাঁর স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকীর বিস্ফোরক অভিযোগের ভিত্তিতে।কখনও স্ত্রীকে মানতে অস্বীকার, কখনও সন্তানের পিতৃপরিচয় অস্বীকার, এমন নানা অভিযোগে বিদ্ধ অভিনেতা।
সম্প্রতি, নওয়াজউদ্দিনের স্ত্রী আলিয়া ইনস্টাগ্রামের অ্যাকাউন্ট থেকে লিখেছেন, ‘যে মানুষের চোখে আমার কোনও মূল্য নেই, তাঁকে জীবনের ১৮টি বছর দেওয়ার আফসোস হচ্ছে’। প্রসঙ্গত নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী আলিয়াকে স্ত্রী হিসেবে মানতে অস্বীকার করেছেন। তারপরই আলিয়া এই পদক্ষেপ করেছেন। ইনস্টাগ্রামের এই বড় পোস্টের সঙ্গে আলিয়া একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। সেই ভিডিওতে অভিনেতার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যালাপ ধরা পড়েছে। একই সঙ্গে নওয়াজ সামাজিক মাধ্যমে আলিয়াকে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন্, এমন অনেক পোস্টের স্ক্রিনশট দেওয়া হয়েছে প্রমাণস্বরূপ।
অভিনেতা বলেছেন,
আলিইয়া তাঁর স্ত্রী নন, তাঁরা লিভ ইন সম্পর্কে ছিল। এই কথায় ভিত্তিতে আলিয়া লিখেছেন,
‘ প্রথমত আমার সঙ্গে নওয়াজউদ্দিনের দেখা ২০০৪ সালে একতা নগরে। যেখানে আমি, নওয়াজ এবং
তাঁর ভাই সামসুদ্দিন সিদ্দিকী একটি ঘরে আনন্দের সঙ্গে থাকতাম। আমি বিশ্বাস করতাম সে
আমাকে ভালোবাসত এবং আমাকে সারা জীবন আনন্দে রাখবে।’
একই সঙ্গে আলিয়া
লেখান, ‘ সেই সময় নওয়াজউদ্দিনের কাছে খাবার খাওয়ারও অর্থ ছিল না। আমি এবং তাঁর ভাই
সামসুদ্দিন সব কিছু ম্যানেজ করি। এরপর ২০১০
সালে আমি এবং নওয়াজ বিয়ে করি। এবং এর এক বছরের মধ্যে আমি সন্তানের জন্ম দিই। সন্তান
প্রসবের খরচের জন্য আমি আমার মায়ের দেওয়া ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিই। এবং সেই টাকায় নওয়াজকে
একটি গাড়িও উপহার দিই। যাতে তাঁকে আর বাসে করে যাতায়াত করতে না হয়।’
অভিযোগ শেষ হয়
না এখানে, আলিয়া লিখে চলেন, ‘ এখন এত বছর পর সে সম্পূর্ণভাবে অমানুষে বদলে গিয়েছে।এই
মানুষটি কখনই ভালো ছিল না। সে সব সময় তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকা, প্রাক্তন স্ত্রী আর বর্তমানে
আমাকে এবং তার সন্তানকেও অসম্মান করে চলেছে।’ আলিয়ার সংযোজন, ‘ সে বলছে, আমাদের প্রথম
সন্তান হওয়ার পর সে আমাকে ডিভোর্স দেয় এবং ডিভোর্সের পর আমরা আবার লিভ ইন সম্পর্কে
যায় এবং এরপর আমাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়। আর এখন আমি জানতে পারছি যে সে আমাকে
কোনওদিন স্ত্রী হিসেবেই মান্যতা দেয়নি।’
আলিয়া এর পরই
আদালতে ডিভোর্স এর মামলা করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের দ্বিতীয় সন্তানের পিতৃপরিচয় পরীক্ষা
করে দেখারও আবেদন জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত নওয়াজউদ্দিনের মা আলিয়ার দ্বিতীয় সন্তানের পিতা
হিসেবে নওয়াজউদ্দিনকে মানতে অস্বীকার করেছেন।