লকডাউন নিয়ে নয়া নির্দেশিকা মন্ত্রকের, সচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে দায়িত্ব চাপল রাজ্যের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে রাজ্যগুলিকে ফের একদফা নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাতে নতুন করে কিছু খোলা বা বন্ধ হওয়ার নির্দেশিকা না থাকলেও রাজ্যগুলিকে আরও বেশি করে এই সংক্রমণ রোধে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

মূলত, সচেতনতা বৃদ্ধি করে কীভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করা যায়, রাজ্যগুলির উদ্দেশে সেই নির্দেশিকাই জারি করা হয়েছে। বছরের শেষ মাস পুরোটাই এই নিয়ম লাগু থাকবে। কেন্দ্রের এই নির্দেশিকায় স্পষ্টই বলা হয়েছে, মাস্ক পড়া, হাত ধোয়া ও ভিড় এলাকায় শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখার মতো বিষয়গুলি মানা হচ্ছে কিনা, তা যথাযথভাবে দেখতে হবে রাজ্যকেই। এই নিয়ম মানার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও পুরসভাকে দায়িত্ব নিতে হবে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে একজন নির্দিষ্ট আধিকারিককে এই দায়িত্ব দিতে হবে, যিনি এই নিয়ে দায়বদ্ধ থাকবেন।

পাশাপাশি, এই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রয়োজন অনুসারে বিয়ে বা যে কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে ২০০ জনের উপস্থিতির যে নিয়ম রয়েছে, তা কমে ১০০ জন হতে পারে। তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। এছাড়াও, সংক্রমণ রোধে যদি প্রয়োজন হয় স্থানীয়ভাবে বা রাজ্যস্তরে নৈশ লকডাউন বা বেশকিছু নিয়ন্ত্রণমূলক সিদ্ধান্ত নিতে পারে রাজ্য সরকার। কিন্তু সম্পূর্ণ লকডাউন করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলে ছাড়পত্র নিয়ে তবেই এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

একইসঙ্গে করোনা রোগী, তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন সকলকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিতকরণ করে চিকিৎসা শুরু করাতে হবে। পাশাপাশি, করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়িয়ে প্রত্যেক রাজ্যেকে নেগেটিভিটি রেট বাড়ানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, এই লকডাউনের সময় বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে বিবিধ মন্ত্রকের যা নির্দেশিকা তা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ যেমন দেওয়া হয়েছে, তেমনি বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার কথাও বলা হয়েছে। তবে কনটেনমেন্ট এলাকায় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কড়া লকডাউন বলবৎ থাকছে বলেই এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons