করোনা চিকিৎসায় গাফিলতি, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ থেকে বরখাস্ত বহু চিকিৎসক

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা আবহে নিজেদের জীবনের তোয়াক্কা না করেই নিঃস্বার্থ ভাবে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসক থেকে শুরু করে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাঁদের সেই কাজকে কুর্নিশও জানিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সকলেই। কিন্তু এবার যে ছবি প্রকাশ্য়ে এল তা একেবারে ভিন্নরকম। করোনার জেরে যখন দিনরাত রোগীদের সেবায় নিযুক্ত রয়েছেন চিকিৎসকেরা তখন বিনা নোটিসে দিনের পর দিন কাজে যোগ না দেওয়ার অভিযোগ উঠল বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের কয়েকজন হাউসস্টাফের বিরুদ্ধে। আর সেই মর্মে তাঁদের ২৬ জনকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ। 

হাউসস্টাফদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, করোনার মতো মারণ ভাইরাসের জেরে জেরবার গোটা দেশ. রাজ্যে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে সরকারি হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবা প্রদানের কাজে নিযুক্ত থাকা সত্ত্বেও গত ২ মাস ধরে ঠিকঠাক ভাবে কাজ করছেননা হাউসস্টাফরা। বারবার তাঁদের সতর্ক করা হয়েছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও জুন মাসের শুরুর দিকে তাঁরা হাসপাতালে আসেননি। অবশেষে তাঁদের হাতে রখাস্তের চিঠি ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান।

তবে ইতিমধ্যেই বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে হাউসস্টাফদের বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন হাউস স্টাফদের প্রতিনিধিরা। তাঁদের পাল্টা অভিযোগ, ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী কাজ না দিয়ে তাঁদের দিয়ে ক্রমাগত কোভিড ওয়ার্ডে কাজ করানো হচ্ছে। চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য এদিন বাঁকুড়া মেডিক্যালের ওই হাউস স্টাফদের একাংশ হাতে ইস্তফাপত্র নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লোকপুর ক্যাম্পাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এবিষয়ে অধ্যক্ষ পার্থবাবু বলেন, “যাঁরা ইস্তফা দিতে এসেছিলেন আমার কাছে, তাদেরকে আগেই ‘বরখাস্ত’ করা হয়েছে। তাই তাঁদের ইস্তফা দেওয়ার কোনও মানেই হয় না।” তিনি আরও বলেন, “২৫০ জন পিজিটি এবং প্রায় ১৫০ জনের মতো ইনটার্ন এবং সিনিয়র চিকিৎসক রয়েছেন। তাই চিকিৎসা ব্যবস্থা কোনওভাবেই ব্যাহত হবে না।”

 

Inform others ?

হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে !

Show Buttons
Hide Buttons