সংঘাত ভুলে বাংলার বিপর্যয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে ৫০ লক্ষ দান ধনকড়ের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : বুধবার রাজ্যে ব্যপক তান্ডবলীলা চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আমফান। যার জেরে বিধ্বস্ত হয়েছে গোটা বাংলা। বৃহস্পতিবারই এবিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে একটি ট্যুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। একইসাথে এই ক্ষতিকে ‘ন্যূনতম’ বলে উল্লেখ করায় নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। তারপরেই শুক্রবার ফের একটি ট্যুইট করেন তিনি। সেখানে বাংলার ক্ষয়ক্ষয়তির দিকটি বিবেচনা করে ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান দেবেন বলে জানিয়েছেন। একইসাথে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আকাশপথে বিধ্বস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করবেন বলেও জানান রাজ্যপাল।

সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় এদিন আমফানের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১৯০-২০০ কিলোমিটার। এমনকি শহর কলকাতায় ১৩৩ কিলোমিটার বেগে এই ঘূর্ণিঝড় আঁছড়ে পড়ে। ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি ঘটেছে প্রাণহানীর ঘটনাও। কয়েক ঘন্টা কেটে যাওয়ার পরেও বহু এলাকায় এখনও পর্যন্ত ব্যাহত বিদ্যুৎ, জল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া-সহ একাধিক জেলা বিধ্বস্ত হয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে। বাংলায় যে আমফানের ফলে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা বৃহস্পতিবার ট্যুইট করে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। একইসাথে এদিন ট্যুইট করে রাজ্যের ব্যপক ক্ষতির কথা স্বিকর করেন রাজ্যপাল। তবে তার ট্যুইটে থাকা ‘ন্যূনতম’ শব্দ, ফের বিতর্কের মুখে ফেলে দেয় রাজ্যপালকে। একরক শুক্রবার একটি ট্যুইট করে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়া কথা জানান ধনকর।

প্রসঙ্গত,  শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সোজা কপ্টারে করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে বসিরহাটের উদ্দেশ্য়ে উড়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আমফানের জেরে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা এদিন পরিদর্শন করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। এদিন তাঁর সাথে একই কপ্টারে দেখা যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে। অপর একটি কপ্টারে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ আরও বেশ কয়েকজন। আকাশপথে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরেই বসিহাট কলেজে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী। 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons