কম যাত্রীতে লোকসানের আশঙ্কা, গ্রিন জোনে বাস চালাতে নারাজ মালিকরা

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : গত শুক্রবারই দেশজুড়ে তৃতীয় দফায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই সঙ্গে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল গ্রিন জোন গুলিতে সোমবার থেকে বাস চালাচল শুরু হবে। তবে সেক্ষেত্রে শর্তও জারি হয়েছে। বলা হয়েছিল, একটি বাসে ২০ জনের বেশি যাত্রী তোলা যাবেনা। কিন্তু সরকারের সেই সিদ্ধান্ত মানতে একেবারেই রাজি নন বাসমালিকেরা। তাঁদের যুক্তি, পুরোন ভাড়াতে ২০ জন করে যাত্রী নিয়ে বাস চালালে অনেকখানি লোকসানের মুখে পড়তে হবে। বাসের পাশাপাশি ট্যাক্সি চালানোর ক্ষেত্রেও ওই একই সমস্যা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ দপ্তরের কর্তারা।

আগে প্রতি ট্রিপে গড়ে ৫০ জন যাত্রী চাপান হত বাসে। কিন্তু সেই ৫০ জনের জায়গায় এবার ২০ জনকে নিয়ে বাস চালানোর নির্দেশ দেয় প্রশাসন। এমনকি বাসের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট থেকে শুরু করে তার গাইডলাইনও তৈরি করে দেওয়া হয়। কিন্তু পূর্বের ভাড়া অনুযায়ী ২০ জন যাত্রীর থেকেও যদি একই ভাড়া নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বলে জানিয়েছেন বাসমালিকেরা। তাই ভাড়া বাড়ানো না হলে কোন ভাবেই তাঁরা যে বাস রাস্তায় নামাবেন না, সেকথা এদিন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন তাঁরা। পরিবহণ দপ্তরের এক কর্তার কথায়, গ্রিন জোনে বাস চালানোর অনুমতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাঁরা বাস চালাবেন কিনা সেটা তাঁরাই ঠিক করবেন। সুতরাং এই মুহূর্তে গ্রিন জোনেও বাস চলাচলের বিষয়টি একেবারেই অনিশ্চিত হয়ে গেল।

লকডাউনের ফলে একমাসের বেশি কোন আয় নেই বাসমালিক সহ ড্রাইভার ও কন্ডাক্টরদের। তাই তাঁদের এই আর্থিক সংকটের দিনে ফের ক্ষতির মুখে পড়ে বাসমালিকেরা বাস চালাবেন কিনা তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। এদিন বাস-মিনিবাস সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আগের ভাড়ায় কুড়িজন যাত্রী নিয়ে বাস চালানো মুশকিল। কোনও আয়ই হবে না। তাই সোমবার থেকে বাস নামানোর কথা থাকলেও জেলার মালিকরা জানিয়ে দিয়েছেন গাড়ি নামাবেন না।’’

 

 

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons