সৎকারের পর ফিরলেন মৃত, তবে মৃতদেহ কার?

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : মরিয়া না বরং মৃত্যুর গুজবের, এমনকি সৎকারের পর ফিরিয়া আসিয়া ভূষন পাল প্রমাণ করিলেন তিনি মরেন নাই। গত ১০ই নভেম্বর নৈহাটি সাহেব মোড়ের বাসিন্দা ভূষন পাল নিখোজ হয়ে ‌যান। ডিসেম্বরে নৈহাটি হাসপাতাল থেকে এক অজ্ঞাতনামা দেহের খবর পায় নৈহাটি থানার পুলিশ। তলব করা হয়, ভূষন বাবুর পরিবারকে। তারা শনাক্তও করেন দেহ, ‌যদিও তা ছিল একেবারে পচাগলা অবস্থায়। দেহ সৎকার করা হয় আইনি পদ্ধতি মেনে। শ্রাদ্ধ ক্রিয়াও হয়েছে ২ মাস আগে। এদিকে গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি কা‌র্যতই ভুত দেখেন ভূষন বাবুর পরিবার, হঠাৎই ফিরে আসেন ভূষন বাবু।

এই ঘটনায় একদিকে ‌যেমন বিভ্রাম্ত পরিবারের মানুষ, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভুমিকা নিয়েও। কোন আইনি পদ্ধতিতে বা কোন তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে মৃতদেহ তুলে দেওয়া হল পরিবারের হাতে? ভূষন বাবু ‌যদি জীবিত হন, তবে সৎকার হল কার? এই প্রশ্নের সমপুর্ণ দায় পুলিশের উপর চাপিয়ে দেন স্থানীয় কাউন্সিলর। ‌যদিও আইনানু‌যায়ী মৃতদেহ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে স্থানীয় কাউন্সিলরএর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। ঘটনার তদন্ত আদৌ হবে কিনা তা ভবিষ্যতের ব্যাপার, তবে ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি ছিল তা প্রমানিত।  

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons