কেজরির জয়ে খুশি, বাঁকুড়ার সভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ মমতার

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : ‘যেখানে ভোট হচ্ছে সেখানেই হারছে বিজেপি।’ আজ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন বাঁকুড়ার তৃণমূলের বুথ কর্মী সম্মেলন সভা থেকে এমনটাই মন্তব্য করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার দিকে দিল্লিতে ভোটগণনা শুরুর কিছুক্ষণ বাদেই স্পষ্ট হয়ে ‌যায় ভোটের ফলাফলের বিষয়টি। তৃতীয়বার ‌যে দিল্লিতে ক্ষমতায় আসতে চলেছে আপ তা আর বুঝতে বাকি নেই। এই পরিস্থিতিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে অভিনন্দন জানাতে ফোন করেন বিজেপি বিরোধী নেতা-নেত্রীরা।তাদের দল থেকে বাদ পড়েননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও। এদিন চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগেই কেজরিওয়ালকে প্রথমে ফোন করে ও পরে টুইট করে তাঁকে অভিনন্দন জানান মমতা। তখনই মমতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে আসার আমন্ত্রণ জানান তিনি।

বাঁকুড়ার সভামঞ্চ থেকে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওনাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছি। উনিও আমাকে শপথে উপস্থিত থাকার জন্য বারবার করে অনুরোধ করেছে। আজ আমি খুব খুশি হয়েছি। কারণ, দিল্লিতে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। আর কংগ্রেস শূণ্যে পৌঁছে ‌যাচ্ছে।” এর পরেই সিএএ ও এনআরসি নিয়ে সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, ‘দিল্লি বিধানসভার ফল প্রমাণ করেছে, মানুষ সিএএ ও এনআরসি প্রত্যাহার করেছে। বিভাজন নয় তাঁরা শুধু উন্নয়ন চায়। আশা করব এরপর সিএএ ও এনআরসি প্রত্যাহার করবে সরকার।’

এরপরেই বিজেপিকে একহাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেশজুড়ে বিদ্বেষের রাজনীতি করছে বিজেপি। শান্তি বা উন্নয়ন নয় তাঁরা ভাগাভাগির রাজনীতি করে। তাই এবার তার ফল হাতেনাতে পাচ্ছে। মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ডের সব জায়গাতেই শেষ বিজেপি। এবার সেই দলে নাম তুলল দিল্লি। ওরা ছড়াচ্ছিল ঘৃণার রাজনীতি। কিন্তু, গণতন্ত্রের জয় হল। কেজরিওয়ালের জয় হল। আমি আপের জয় আর বিজেপির পরাজয়ে খুশি। এই দেশে ঘৃণার রাজনীতির কোনও জায়গা নেই।”

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons