দশ মাস বেতন নেই কোহলি-রোহিতদের, অনিশ্চয়তার মধ্যে তারকারা

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা মহামারির জেরে বিশ্বের প্রায় সব ক্রিকেট সংস্থাই কম-বেশি আর্থিক সমস্যায় রয়েছে। তবে বিসিসিআইয়ের ক্ষেত্রে সেই সমস্যা তুলনায় কম। আইপিএল অনুষ্ঠিত না হলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে। তবে যেহেতু আইপিএলের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে, তাই যাবতীয় খামতি মিটিয়ে নিতে পারে বিসিসিআই।

বিশ্বের সবথেকে ধনী ক্রিকেট বোর্ডের কোষাগারে এই মুহূর্তে যে পরিমাণ অর্থ রয়েছে, তাতে আনায়াসে কাজ চালাতে পারে তারা। তবে প্রশাসনিক অস্থিরতার জন্য তিক্ত এক অভিযোগের মুখে পড়তে হচ্ছে বিসিসিআইকে।

ভারতীয় বোর্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, তারা জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের গত ১০ মাস কোনও পারিশ্রমিক দেয়নি। না চুক্তির টাকা, না ম্যাচ ফি বাবদ পাওনা অর্থ, কোনওটিই শেষ ১০ মাসে তারকা ক্রিকেটারদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েনি। যদিও বিষয়টি নিয়ে বিশেষ হইচই হয়নি কারণ, বিশ্বের অন্যতম বিত্তবান ক্রিকেটাররা আপাতত বোর্ডের কাছ থেকে অর্থ না পেলেও অসুবিধায় নেই।

গত বছর অক্টোবরের পর থেকে বিসিসিআইয়ের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় থাকা ২৭ জন ক্রিকেটার চতুর্মাসিক কিস্তির প্রথম দফার টাকা এথনও হাতে পাননি। গত বছর ডিসেম্বর থেকে এপর্যন্ত ২টি টেস্ট, ৯টি ওয়ান ডে ও ৮টি টি-২০’র ম্যাচ ফি’ও বাকি রেখেছে ভারতীয় বোর্ড।

কেন্দ্রীয় চুক্তির জন্য বিসিসিআইকে বছরে প্রায় ৯৯ কোটি টাকা খরচ করতে হয়। এ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা সর্বাধিক ৭ কোটি টাকা পেয়ে থাকেন বোর্ডের কাছ থেকে। এ, বি ও সি ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা পান যথাক্রমে ৫ কোটি, ৩ কোটি ও ১ কোটি টাকা। প্রতিটি টেস্ট, ওয়ান ডে ও টি-২০’র জন্য ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি যথাক্রমে ১৫, ৬ ও ৩ লক্ষ টাকা।

২০১৮-র মার্চে প্রকাশ্যে আনা শেষ ব্যালান্স শিট অনুযায়ী ব্যাঙ্কে বোর্ডের সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ হল ৫৫২৬ কোটি টাকা, যার মধ্যে ২৯৯২ কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে। ২০১৮-র এপ্রিলে বিসিসিআই স্টার টিভির সঙ্গে পাঁচ বছরের জন্য ৬১৩৮ কোটি টাকার সম্প্রচার চুক্তি স্বাক্ষর করে।

বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা অন্তত ৮ জন ক্রিকেটার গত ১০ মাসে কোনও টাকা না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons