কোভিড হাসপাতালে ‘পশুর মতো আচরণ’, ফের বিক্ষোভের মুখে যোগী রাজ্য

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ও হাসপাতালের মর্মান্তিক চিত্র উত্তরপ্রদেশে অস্বাভাবিক কিছু না। এবার ঠিক একই কারনে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়ল যোগী প্রশাসন। রোগীদের অভিযোগ, বেশিরভাগ সময়ই তাঁদের বাইরে থেকে খাবার ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কখনও একসাথে বেশ কয়েকজন করোনা আক্রান্তদের একসাথে রাখা হচ্ছে। কোথাও কোথাও আবার পর্যাপ্ত পরিমানে মিলছেনা জল ও খাবার। দিনের পর দিন এই আমানবিক ঘটনার সম্মুখীন হয়ে অবশেষে প্রতিবাদে ফেটে পড়লেন প্রয়াগরাজের এক সরকারি হাসপাতালের রোগীরা। তাঁদের প্রশ্ন, “আমরা কি পশু! আমাদের সঙ্গে কেন এমন ব্যবহার করা হচ্ছে?” ইতিমধ্য়েই সেই বিক্ষোভের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে সেই সমস্যা কিছুক্ষনের মধ্যেই মিটে গেছে বলে দাবি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের।

যোগী প্রশাসনের কোয়ারেন্টাইন ও সরকারি হাসপাতালের মর্মান্তিক চিত্র আগেও একাধিকবার প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি এরকমই এক ঘটনার সক্ষি হয় আগরার এটাওয়া জেলা। বিক্ষোভের ভিডিওগুলি এক এক করে জনসমক্ষে আসায় কোভিড হাসপাতালে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যোগী প্রশাসন। এই সিদ্ধান্তের জেরে ফের সমালোচিত হতে হয় সেরাজ্যের সরকারকে। অবশেষে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। প্রয়াগরাজের কোটোয়া বানি এলাকার একটি কোভিড হাসপাতালের রোগীরা তাঁদের সাথে হওযা আচরণের প্রতিবাদে সামিল হয়। তাঁদের কথায়, “মানুষ হিসেবে ন্যূনতম সুবিধাটুকুও পাচ্ছি না। পশুদের চেয়েও অধম ব্যবহার করা হচ্ছে। না মিলছে খাবার। না মিলছে জল।” তারই মধ্যে একজন রোগী প্রশ্ন করেন, “আমরা কি জানোয়ার? আমাদের জলের দরকার নেই?” অনেকেই আবার বাড়ি চলে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তবে ঘন্টা দু-এক এর মধ্যেই জলের সমস্যা মিটে গেছে বলে এদিন জানান প্রয়াগরাজের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি এদিন জানান,  “বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য সরাসরি জল সরবরাহে সমস্যা হয়েছিল। আমরা দু’ঘণ্টায় মিস্ত্রি ডেকে সারিয়ে নিয়েছি। এমনিতে হাসপাতালের ট্যাঙ্কে জল ছিল। কিন্তু রোগীদের দাবি স্নানের জন্য তাঁদের সরাসরি ফ্রেশ জল এনে দিতে হবে। আমরা দ্রুত দাবি পূরণ করেছি।”

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons