করোনাতেই রক্ষে নেই! এবার ৮ রকমের ভাইরাস মিলল বিদেশ ফেরত ভারতীয়দের শরীরে

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা যখন দেশবাসীর আতঙ্কের মূল বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে ঠিক তখনই আতকে ওঠার মতো আরও এক খবর শোনাল ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্য়েই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিজেদের দেশে ফিরছেন ভারতীয়রা। তাঁদের থেকে ভারতে ফের করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কাও করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই বিদেশ থেকে ফিরে তাঁদের সকলকে ১৪ দিনের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই এবার ঘটল আরেক অঘটন। এদিন ভারতীয় বিজ্ঞানীদের একাংশের তরফে দাবি করা হয়, যে সমস্ত ভারতীয়রা বিদেশ থেকে ফিরছেন তাঁরা করোনা ছাড়াও আরও আট রকম ভাইরাসের বাহক। এবিষয়ে যথাযথ গবেষণা করেই বিজ্ঞানীরা এই তথ্য প্রকাশ্যে অনেছেন বলে খবর। যার ফলে ফের নতুন করে চিন্তায় পড়েছে সকলে।

বর্তমানে করোনার মতো মারণ ভাইরাস যেন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সারা দেশ। প্রতিদিনই রেকর্ড হারে বাড়ছে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তবে তার মধ্যেও একটাই আশার কথা ছিল, এদেশে মৃতের তুলনায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার হারই বেশি। কিন্তু তাতে আর কী! এরই মধ্য়ে কেরল ও পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির একদল গবেষক নতুন করে আশঙ্কার কথা জানালেন। তাঁদের দাবি বিদেশফেরত অনেকের শরীরে মোট আটরকম ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে।

ইতিমধ্যেই পরীক্ষার জন্য বিদেশ ফেরত মোট ৩৬২ জনের স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়। তাঁদের মধ্য়ে ৮৪ জনের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ মিলেছে। ৪ জনের শরীরে মিলেছে সার্স করোনাভাইরাসের জীবাণু। আর বাকিদের শরীরে পাওয়া গিয়েছে আরও ৮ রকমের ভাইরাসের হদিস। এই ৮ টি ভাইরাস শ্বাসযন্ত্রে হানা দেয়। ফলে উদ্বেগের যথেষ্ট করান রয়েছে বলেই মত বিজ্ঞানীদের। ২২ জানুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যাঁরা দেশে ফিরেছিলেন তাঁদের কয়েকজনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৮৪ জনের শরীরে এক বা একাধিক ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। 

বিদেশ থেকে ফেরা ভারতীয়দের শরীরে যে ৮টি ভাইরাসের সংক্রমণ মিলেছে সেগুলি হল, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ, ইনফ্লুয়েঞ্জা বি, মানব করোনাভাইরাস, এডিনো ভাইরাস, রাইনো ভাইরাস, প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা, মেটানিমো, আরএসবি। এখনও পর্যন্ত বিশ্বে যে সাত ধরনের করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে তার মধ্য়ে একটি হল মানব করোনাভাইরাস। যার জীবানু মিলেছে ২১ জনের শরীরে। এছাড়া ইনফ্লুয়েঞ্জা এ-তে আক্রান্ত ২৫ জন। ইনফ্লুয়েঞ্জা বি—তে আক্রান্ত ৭ জন। ৪ জন আক্রান্ত এডিনো ভাইরাসে। রাইনো ভাইরাসে আক্রান্ত ১৫ জন। ১০ জন প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জায়। মেটানিমো ভাইরাসে আক্রান্ত দুজন। এবং ৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন আরএসবি—তে।

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons