করোনা আবহে দুই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের সাক্ষি রাজধানী, পুড়ে ছাই ১৫০০ ঝুপড়ি

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনার জেরে একেই আতঙ্কে ঘুম উড়েছে রাজ্যবাসীর। তার মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এক এক করে ঘটেই চলেছে নানান দুর্ঘটনা। এবার ফের বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডের সাক্ষি থাকল রাজধানী। পরপর দুটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে রাজধানীতে। মঙ্গলবার সকালে উত্তর-পশ্চিম দিল্লির কেশবপুরমে একটি জুতোর কারখানায় বিধ্বংসী আগুন লেগে যায়। কিছুক্ষনের মধ্যেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় পুরো কারখানা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকেলর ১৫ টি ইঞ্জিন। এখনও আগুন নেভানের কাজ চলছে। তবে কীভাবে কারখানায় আগুন লাগল, তা এখনও জানা যায়নি। সেখানে পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও কোনও কেউ হতাহতের খবর মেলেনি।

অন্যদিকে আরেকটি আগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তুঘলকবাদ বস্তি এলাকায়। সোমবার গভির রাতে এলাকায় আগুন লাগে। গভির ঘুমে আচ্ছন্ন এলাকাবাসী আগুন লাগার বিষয়টি বুঝতে পেরেই বাইরে বেরিয়ে আসেন। দমকলবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে রাত ১টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় দমকলের ২০ টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরকৃতায় আগুন নেভানের কাজ চলে। কিন্তু বিধ্বংসী আগুন কোনভাবেই নিয়ন্ত্রনে না আসার ফলে ফের ১০ টি ইঞ্জিন আসে ঘটনাস্থেলে। পরে মোট ৩০টি ইঞ্জিনের সহায়তায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। কোন হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও প্রায় ১৫০০টির মতো ঝুপড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির ডিসিপির কথায়, , ‘রাত ১টা নাগাদ আমরা আগুন লাগার খবর পাই। দমকল সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভাতে শুরু করে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ হতাহত হননি।’

দক্ষিণ দিল্লি জোনের দমকলের ডেপুটি প্রধান এসএস তুলি। তিনি জানান, “আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে। যদিও ঠিক কীভাবে আগুন লাগল, সে এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই।”

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons