জোম্যাটোর পর এবার সুইগি, হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটল সংস্থা

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনার জেরে আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে গোটা দেশের অর্থনীতি। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় চলছে একের পর এক কর্মীছাঁটাইয়ের পালা। ইতিমধ্য়েই উবের ও জোম্যাটের তরফে কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়টি জানানো হয়েছে। এবার সেই একই পথে হাঁটতে দেখা গেল আরেক অনলাইন খাবার ডেলিভারি সংস্থা সুইগিকে। করোনার জেরে ব্যপকভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় এবার আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ১০০০ -এর বেশি কর্মীকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিল এই অনলাইন খাবার ডেলিভারি সংস্থা। সোমবার সংস্থার তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমনই জানানো হয়েছে। 

যত দিন যাচ্ছে দেশে করোনা সংক্রমণ ততই বাড়ছে। লকডাউনের শুরুর থেকেই বহু মানুষ হারিয়েছেন তাঁদের কর্মসংস্থান। অসহায় ভাবে দিন গুজরাণ করছেন চাকরিহারা মানুষগুলো। ইতিমধ্যেই কয়েক লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের মুখে। আর এহেন পরিস্থিতিতে এবার সুইগির সিইও তথা সহ-প্রতিষ্ঠাতা শ্রীহর্ষ মেজতি প্রত্যেক কর্মীকে একটি মেল করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “আজ সুইগির জন্যে খুবই দুঃখের দিন। ইচ্ছা না থাকলেও বাধ্য হয়ে আমাদের ডাউনসাইজিং শুরু করতে হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনে বিভিন্ন শহরে নানা পদে এবং স্তরে কর্মরত প্রায় ১১০০ কর্মীকে বিদায় জানাতে হবে। কোভিডের প্রভাব আগামীদিনে ডেলিভারি ব্যবসা এবং ডিজিটাল কমার্সে কীভাবে পড়তে চলেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধোঁয়াশা দীর্ঘদিন থেকে যাবে। এমন অবস্থায় আমাদের এই পদক্ষেপ করতেই হচ্ছে। আরও বড় কোনও ধাক্কা খাওয়ার আগে সংস্থার খরচ যতটা সম্ভব কমিয়ে ফেলতে হবে।” একইসাথে ক্লাউড কিচেন ব্যবসাও সাময়িক অথবা প্রয়োজন হলে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কথাও ভাবছে এই কোম্পানি।

উল্লেখ্য, ১৪ মে জুম অ্যাপে ৩ মিনিটের একটি ভিডিও কল করা হয়উবের সংস্থার তরফেো। সেখানে ৩,৭০০ কর্মীকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়ে দেয়। তারপর আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে নিজেদের কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জোম্যাটোও। এবার সেই পথে হেঁটেই ১১০০ কর্মীকে বরখাস্ত করা হবে বলে জানিয়ে দিল সুইগি।

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons