কর্মক্ষেত্রে বরাদ্দ ৪০ হাজার কোটি, বিশেষ গুরুত্ব স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২০ লক্ষ কোটির আর্থিক প্যাকেজের সুবিধা কী সাধারণ মানুষের জন্য নয়? চতুর্থ দফায় প্যাকেজের ব্যাখ্যা দেওয়ার পরেও এমনই প্রশ্ন তাড়া করে বেড়াচ্ছিল দেশবাসীকে। বিরোধীরা প্রশ্ন করতে শুরু করেন, এতদিন পর্যন্ত যে ঋণসর্বস্ব আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করছেন অর্থমন্ত্রী, তা কী আদৌ সাধারণ মানুষের কাজে আসবে? রবিবার পঞ্চম দফায় প্যাকেজের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সেই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এদিন অর্থমন্ত্রী জানান, ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রে ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। একইসাথে  শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতও সরকারি সমর্থন পাবে বলে জানান তিনি। 

অর্থমন্ত্রীর কথায়, চলতি বছর করোনার আগে ১০০ দিনের জন্য ৬১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু এবার ফের সেই খাতে বরাদ্দ হল ৪০ হাজার কোটি টাকা। যার ফলে বাড়বে প্রায় ৩ কোটি কর্মসংস্থান। মূলত পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ নিজ রাজ্যে ফিরে রোজগার করতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবেনা বলেই আশা করা হচ্ছে।

শিক্ষাখাতে অনলাইন এডুকেশনের ওপর গুরুত্ব দিতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটা ক্লাসের জন্য ১২টি চ্যানেল খোলা হচ্ছে। দিব্যাঙ্গ শিশুদের জন্য আলাদা ই-স্টাডি মেটেরিয়াল তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও বাড়ানো হচ্ছে বরাদ্দের পরিমাণ। এবার থেকে জেলা হাসপাতাল গুলিতেও সংক্রমক রোগের চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা করা হবে। ব্লকে ব্লকে তৈরি করা হবে সরকারি সংক্রমক ল্যাব। অর্থমন্ত্রীর কথায়, এই পরিস্থিতিতে ৫১ লক্ষ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন উৎপাদন করা হয়েছে। এমনকি দেশে প্রতিদিন ৩ লক্ষ পিপিই এবং কয়েক লক্ষ মাস্ক তৈরি হচ্ছে।

 

 

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons