‘বন্ধুত্ব আরও মজবুত হোক’, ট্যুইটে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ মোদীর

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনার জেরে সংকটের মুখে গোটা বিশ্ব। এই মারণ ভাইরাসের কবল থেকে নিজেদের দেশকে রক্ষার স্বার্থে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহন করছেন রাষ্ট্রপ্রধানরা। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত ও আমেরিকার মধ্য়ে ফের সম্পর্ক মজবুত করতে ভারতকে ভেন্টিলেটার পাঠাচ্ছে আমেরিকা। এদিন সেই তথ্যের সত্যতা নিজে ট্যুইট করে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরেই শনিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্যুইট করে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্পকে। ট্যুইটে এদিন মোদী আরও লেখেন, ভারত আমেরিকার এই লেনদেনের জেরে, এই দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও মজবুত হয়েছে।

করোনার আতুড়ঘর চিন থেকে বিশ্বের প্রায় শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণ ভাইরাস। আমেরিকায় এই ভাইরাস ভয়াবহ রূপ নেওয়ার পরেই, তার করাল গ্রাস থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করে ট্রাম্প প্রশাসন। এমনকি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন প্রয়োগে এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব, সেই মর্মে ভারতকে এই মহা ঔষধিও দেওয়ার জন্য অনুরোধও জানান ট্রাম্প। ভারত থেকেও সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় স্বার্থে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পাঠানো হয় আমেরিকায়। তারপরেই নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় মাতেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাই এবার ভারতের করোনা সংকটের দিকটি বিবেচনা করে পাল্টা এদেশে ভেন্টিলেটর পাঠাচ্ছে আমেরিকা।

করোনার জেরে আমেরিকায় এখনও চলছে মৃত্যুমিছিল। প্রতিদিনই প্রায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। নিজেদের এই বিপদের সময়েও ভারতের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা। ভারতে ভেন্টিলেটর পাঠানো প্রসঙ্গে এদিন ট্রাম্প ট্যুইটে লেখেন, “আমি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি, আমেরিকা ভারতে আমাদের বন্ধুদের জন্য ভেন্টিলেটর পাঠাবে। এই মহামারির সময় আমরা ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশে আছি। আমরা প্রতিষেধক তৈরির কাজেও একে অপরকে সাহায্য করছি। আমরা একসাথে এই অদৃশ্য শত্রুকে হারিয়ে দেব।”

এরপরেই ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে পাল্টা ট্যুইটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেখেন, “ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। আমরা সকলেই এই অতিমারীর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করছি। এই সময় বিশ্বকে কোভিড-১৯ মুক্ত করতে দেশগুলে পরস্পর পরস্পরের পাশাপাশি আসা প্রয়োজন। তাহলেই বিশ্ব সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হোক।” তবে ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব মজবুত হলে তা যে চিনের জন্য এক অশনি সংকেত বহন করে আনতে পারে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons