দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি হবে করোনা প্রতিষেধক, ভারত বায়োটেকের সঙ্গে হাত মেলাল আইসিএমআর

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : চিনের পর বিশ্বের শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল করোনা ভাইরাস। এখনও পর্যন্ত একাধিক দেশে এই মারণ ভাইরাসের জেরে চলছে মৃত্যুমিছিল। ইতিমধ্যেই ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তারই মধ্যে এবার দেশীয় প্রতিষেধক তৈরি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল ভারত। আর সেই মর্মে ভারত বায়োটেকের সাথে হাত মিলিয়েছে আইসিএমআর। 

করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় প্রতিটি দেশ নানান পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু জানিয়েছিল, শুধুমাত্র লকডাউনের মাধ্যমেই করোনা মোকাবিলা সম্ভব নয়। যতদিন না পর্যন্ত এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ রোখা প্রায় আসম্ভব। হু-এর এই মন্তব্যের পরেই একাধিক দেশ করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে তৎপর হয়। এবার সেই তালিকায় নাম তুলল ভারতও। 

এদিন আইসিএমআরের-এর তরফে জানা যায়, ইতিমধ্য়েই করোনা ভাইরাসের স্ট্রেন আালাদা করেছে পুনের এনআইভি ল্যাবরেটরি। এমনকি সেটিকে ভারত বায়োটেকে পাঠানোও হয়েছে। সেই স্ট্রেন ব্যবহার করেই করোনা প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু হবে। দেশীয় পদ্ধতিতেই এই প্রতিষেধক তৈরি হবে বলেই জানা গিয়েছে।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যেই ট্রায়াল রান চালু করে দিয়েছে প্রতিষেধকের। এবিষয়ে আইসিএমআরের ডিপার্টমেন্ট ওফ রিসার্ট ম্যানেজমেন্টের প্রধান রজনীকান্ত শ্রীবাস্তব বলেন, “আমরা মার্চ থেকেই কাজ শুরু করেছি। দুই মাসের মধ্যেই ভাইরাসটিকে আলাদা করে কালচারের পর প্রতিষেধক তৈরির উপযোগী করে তোলা হয়েছে।” পুনের এনআইভিতে প্রথম করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও তাঁরা এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য ভারত বায়োটেককে সাহায্য করার কথা বলেন শ্রীবাস্তব। পরীক্ষার পর সেই প্রতিষেধক প্রথমে কোনও প্রাণী ও তারপর মানুষের শরীরে রীক্ষামূলক প্রয়োগ করে দেখতে হবে। করোনা সংক্রমণের যে স্টেজগুলি রয়েছে, সেগুলির ভিত্তিতেই এই প্রতিষেধক প্রস্তুত করার কথা জানিয়েছে আইসিএমআর। কত দ্রুত এই প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে দেশবাসী।

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons