হাইকোর্টে ধাক্কা! সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোপ বসাতে অর্ডিন্যান্স রাজ্য সরকারের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক :  করোনার জেরে দেশজুড়ে লকডাউন। বন্ধ রয়েছে সমস্ত আয়ের উৎস। এই পরিস্থিতিতে আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে দেশের একাধিক রাজ্য। সেই তালিকার প্রথম সারিতেই নাম রয়েছে কেরলের। এই আর্থির মন্দার পরিস্থিতি সামাল দিতেই সরকারি কর্মীদের বেতনের একাংশ কেটে নেওয়া হবে হলে জানায় সেরাজ্যের প্রশাসন। কিন্তু কেরল হাই কোর্টে এই সিদ্ধান্ত আইন বিরোধী বলে বিবেচিত হয়। তাই সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোপ বসাতে এবার অর্ডিন্যান্স জারি করল কেরল সরকার। বৃহস্পতিবার সেই অর্ডিন্যান্সে স্বাক্ষরও করেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। 

রাজ্য়ে করোনার মতো মহামারীর জেরে আয়ের পরিবর্তে খরচ হচ্ছে বেশি। কোন ভাবেই তাতে লাগাম টানা যাচ্ছেনা। সারা দেশের চিত্রটাও এই একইরকম। দেশকে আর্থনৈতিক সংকট থেকে রক্ষা করতে আগেই রাষ্ট্রপতি, প্রাধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সাংসদদের বেতন কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসাথে কোপ বসানো হয় কেরলের মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতনেও। এরপরেই সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাটার নিদান দেয় কেরল সরকার। কিন্তু সরকারের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধাচারন করে কেরল হাই কোর্ট। এরপর সরকারের তরফে অর্ডান্যান্সের জারি হলেও তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কর্মচারী সংগঠনগুলি। একইসাঙ্গে সরকারের এই সিদ্ধান্ত কর্মচারীদের উপর প্রতিশোধ গ্রহনের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে বলে দাবি বিরোধী দল কংগ্রেস ও বিজেপির। 

 বেতন কাটা প্রসঙ্গে আগেই সরকারে তরফে জানান হয়েছিল, আগামী পাঁচমাস সরকারি কর্মীদের বেতন কাটা হবে। প্রতি মাসে হিসাবে করে ৬ দিনের বেতন কাটবে সরকার। হাই কোর্টে তা বিতিলের পর নয়া অর্ডিন্যান্স আনা হলে সেখানে বলা হয়, এটি কার্যকর হলে রাজ্য সরকারি কর্মচারি, রাজ্য সরকারের আন্ডার টেকিং সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সকলেরই বেতনে কোপ পড়বে। সরকারের অর্ডিন্যান্স আনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কেরলের অর্থমন্ত্রী আইজ্যাক থমাস। তাঁর কথায়, “এটা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এমন কঠিন সময়ে এই বিতর্ক এড়ানো প্রয়োজন। বিরোধীরা সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনকে উসকানি দিচ্ছে।” 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons