ট্যুইটারে মোদীকে ‘আনফলো’, জল্পনা উড়িয়ে কারন প্রকাশ্যে আনল হোয়াইট হাউস

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : বুধবার হঠাৎ করে ট্যুইটারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘আনফলো’ করে দেয় হোয়াইট হাউস। এই ঘটনার জেরে দেশ জুড়ে শুরু হয় নানান জল্পনা। এমনকি ভারত-আমেরিকার সম্পর্কে ছেদ পড়তে চলেছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। কিন্তু এবার ট্যুইটে মোদীকে ‘আনফলো’ প্রসঙ্গে মুখ খুলল মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউস। এদিন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এবিষয়ে আমেরিকার এক শীর্ষস্থানীয় আধিকারিক বলেন, এটাই নাকি সেদেশের রীতি। শুধুমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরের সময় আয়োজক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের ট্যুইটারে ফলো করে হোয়াইট হাউস। আর সেই সফর শেষ হয়ে গেলেই আনফলো করা হয় তাঁদের। 

এদিন ওই মার্কিন আধিকারিক আরও বলেন, হোয়াইট হাউসের টুইটার হ্যান্ডেল শুধুমাত্র মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কয়েকজন আমলাকেই ফলো করে। তবে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভিন দেশে সফরে জান তখন সেই সমস্ত দেশদুলিকে কয়েকদিনের জন্য ফলো করা হয়। মূলত আয়োজক দেশের প্রতিক্রিয়া জানা এবং তাঁদের ট্যুইটের উত্তরে রিটুইট করার স্বার্থেই অল্প সময়ের জন্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের ফলো করো রাখা হয়। কিন্তু কিছুদিন পরেই তাঁদের সকলকেই ‘আনফলো’ করে দেয় হোয়াইট হাউস। এর সাথে কূটনীতির কোন সম্পর্ক নেই বলেও এদিন তিনি সাফ জানিয়ে দেন। 

উল্লেখ্য, গত তিন সপ্তাহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর টুইটার ফলো করার পর অবশেষে বুধবার তা ‘আনফলো’ করে দেয় হোয়াইট হাউস। মোদীর ব্যক্তিগত ট্যুইটার ছাড়াও ভারতের সঙ্গে সম্পর্কিত মোট ৫টি টুইটার অ্যাকাউন্ট ‘আনফলো’ করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি এই বাসভবন। কিন্তু এভাবে হঠাৎ আনফলো করার কারন কি! তা নিয়েই ভারতে শুরু হয় নানান জল্পনা। এবিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও উদ্বেগ প্রকাশ করতে শোনা যায়। তবে বৃহস্পতিবার সেই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই অনফলো করার কারন জানাল হোয়াইট হাউস। 

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons