লকডাউনে আর্থিক ক্ষতির মুখে রেল, বাতিল হতে পারে বেশ কিছু ট্রেন

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনার জেরে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। আর এই পরিস্থিতিতে শিথিল করা হয়েছে বাস,ট্রেন ও বিমান পরিষেবা। কিন্তু এইভাবে দিনের পর দিন পরিষেবা বন্ধ থাকার ফলে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে রেল। তাই লকডাউন উঠে যাওয়ার পরে বেশ কিছু ট্রেন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি রাখা হতে পারে। তবে যাত্রীবাহী ট্রেনের ক্ষেত্রেই এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। 

লকডাউনে পণ্যবাহী ট্রেন ছাড়া বন্ধ রয়েছে সমস্ত যাত্রিবাহী ট্রেন পরিষেবা। কিন্তু লকডাউন উঠে যাওয়ার পর আগের মতোই কী ট্রেন পরিষেবা চালু থাকবে! এবিষয়ে ইতিমধ্যেই একটি সমিক্ষা করেছে রেল। ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে তার রিপোর্ট। 

সমিক্ষার রিপোর্ট বলছে, স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে মানুষ ট্রেনের পরিবর্তে বাসই বেশি ব্যবহার করে থাকেন। আবার দূরযাত্রার ক্ষেত্রে মানুষের পছন্দ বিমান পরিষেবা। আর মাঝামাঝি দূরত্বে প্রাধন্য পায় ট্রেন। তাই সেদিকটি মাথায় রেখেই স্বল্প দূরত্বে ট্রেনের সংখ্যা কমান হতে পারে। অন্যদিকে মাঝারি দূরত্বের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলেও ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বৃদ্ধি করা হতে পারে ইন্টার সিটি এক্সপ্রেসের সংখ্যাও। একইসাথে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীবাহী ট্রেনের জন্য যে সময় বরাদ্দ রয়েছে তা অদূর ভবিষ্যতে মালগাড়ির জন্য বরাদ্দ করা হতে পারে। 

আর্থিক ভাবে সংকটের মধ্য়েই রয়েছে রেল। ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে রেলের অপারেটিং রেসিও ছিল ৯৭.৩ শতাংশ। কিন্তু কী এই অপারেটিং রেসিও? কোনও সংস্থার আয় এবং খরচের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে অপারেটিং রেসিও নির্ধারিত হয়। এই রেসিও মাধ্যমেই কোন সংস্থার আর্থির পরিস্থিতি বোঝা যায়। অপারেটিং রেসিও যত কম হবে সেই সংস্থার আর্থিক অবস্থা তত ভালো হবে। তাই ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে রেলের অপারেটিং রেসিও অনুসারে রেলকে ১০০ টাকা আয় করতে খরচ করতে হয়েছিল ৯৭ টাকা ৩০ পয়সা।

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons