ক্ষতির মুখে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বড়সড় আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার পরিকল্পনা কেন্দ্রের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : দেশজুড়ে লকডাউন। বন্ধ রয়েছে ছোট-বড় সমস্ত কলকারখানা থেকে শুরু করে অফিস-কাছারি। যার জেরে আর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে গোটা দেশ। তবে এই লকডাউনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর সম্মুখীন হয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলি। তাই সেইসমস্ত শিল্পে কিছুটা হাল ফেরাতে এবার ২০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে দেশের অর্থমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বাধীন ব্যয় সম্পর্কিত আর্থিক কমিটি এবিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা সেরেছে।

এই আলোচনায় জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের তরফে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য বরাদ্দ আর্থ দুভাবে ভাগ করে ব্যবহার করা হবে। ইতিমধ্য়েই সেই প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকেই এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলির জন্য এই বিপুল পরিমান আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হবে। 

করোনা মোকাবিলায় দু’দফায় মোট ৪০ দিনের জন্য জারি হয়েছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে সব থেকে বেশি সমস্যায় ভুগছেন দেশের দরিদ্র মানুষগুলো। লকডাউনে সবকিছু বন্ধ থাকার ফলে টান পড়েছে তাঁদের রুটি-রুজিতে। একইভাবে লকডাউনের জেরে ধুকছে শিল্পকারখানাগুলিও। দার্ঘদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকার ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রের ভাড়ারে বিশেষ করে টান পড়েছে। এই অবস্থায় তারা যাতে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে তাই কেন্দ্রের তরফে সেই সমস্ত শিল্পগুলির জন্য ২০ হাজার কোটির সাহায্যের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। 

তবে জানা গিয়েছে কেন্দ্রের তরফে দেওয়া অর্থ দুভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে। প্রথমত, যেসমস্ত শিল্পগুলি বর্তমানে জীর্ণ কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তাদেরকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হবে। এবং দ্বিতীয়ত, যে শিল্পগুলি মোটামুটি ভাবে নিরাপদ স্থানে রয়েছে, তাদের উৎপাদন যাতে আরও বৃদ্ধি পায় সেজন্য সেই সমস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগ করা হবে ওই অর্থের বাকি অংশ। অর্থমন্ত্রকের কথায়, দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। তাই সেখানে উৎপাদন ব্যবস্থা বহাল রাখতে এই শিল্পগুলিতে বিশেষ ভাবে নজর দিতে হবে। 

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons