প্রত্যার্পন বাতিলের আবেদন খারিজ, ব্রিটেনের আদালতে বড়সড় ধাক্কা মালিয়ার

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : ব্রিটেনের আদালতে ফের বড়সড় ধাক্কা খেলেন আর্থিক তছরূপে অভিযুক্ত বিজয় মালিয়া। ভারতের প্রত্যার্পনের বিরুদ্ধে গত বছরই ব্রিটেনের আদালতে আবেদন জানায় মালিয়া। সোমবার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তবে তাঁকে কবে দেশে ফেরানো হবে সেবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র সচিব প্রীতি প্যাটেল।

আর্থিক তছরূপের অভিযোগ ওঠার পর গত বছর দেশ থেকে পালিয়ে ব্রিটেনে আশ্রয় নেয় মালিয়া। কিন্তু কয়েকমাস আগে ব্রিটেনের আদালতের তরফে তাঁকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ দেয়। 

আর্থিক তছরূপের অভিযোগ ওঠার পর দেশ থেকে পালিয়ে ব্রিটেনে আশ্রয় নিয়েছিলেন বিজয় মালিয়া। কিন্তু মাস কয়েক আগে তাঁকে ব্রিটেনের আদালত ভারতের হাতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ দেয়। ব্রিটেনের সরকারও সেই নির্দেশ কার্যকরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে শুরু করে। নির্দেশমতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে শুরু করে সেদেশের সরকার। কিন্তু তার পরেও সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় কিংফিশারের কর্ণধার বিজয় মালিয়া। কিন্তু সেই আবেদন ফের খারিজ করে মৌখিক শুনানির নির্দেশ দেন ব্রিটেনের চিফ ম্যাজিস্ট্রেট এমা আর্বার্থনট। আদালতের এই রায় নিজেদের জয় বলেই মনে করছেন সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইন্ডিয়া।

কিংফিশার বিমানসংস্থার নামে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ভারতের একাধিক ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেয় মালিয়া। কিন্তু সেই টাকা আর তিনি শোধ করেননি। বরং দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। তাঁকে দেশে ফেরাতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই ও ইডি। তাঁর প্রত্যার্পণ সম্ভব না হওয়ায় তাঁর এক এক করে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। তবে মালিয়া জানান, তিনি টাকা ফেরত দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলি তা ফেরত নিতে চায়নি। আবার কখনও তিনি বলেন, তিনি গরিব, টাকা ফেরত দেওয়ার মতো ক্ষমতা তাঁর নেই। কিন্তু তাঁর এই কথার মধ্যে কোন সামঞ্জস্য না থাকায় দেশের সরকারের তরফে কেন ভাবেই তার এই বক্তব্যে কান দেওয়া হয়নি। 

লন্ডনের রয়্যাল আদালতে ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর প্রত্যার্পনের বিরুদ্ধে আবেদন জানান মালিয়া। কিন্তু তা খারিজ করে ইতিমধ্যেই তাঁকে ভারতে ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রিটেনের সরকার। একইসাথে মালিয়াকে দেশে ফেরাতে ভারত সরকারও তৎপর হয়েছে। অন্যদিকে সিবিআই আদালতের এই রায়কে নিজেদের জয় বলেই মনে করছে। 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons