প্রতিবেশি দেশগুলির আবেদনে সাড়া, প্যারাসিটামল-হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পঠানোর সিদ্ধান্ত ভারতের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : এখন গোটা বিশ্বের চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মারণ ভাইরাস করোনা। কীভাবে এই ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে তা নিয়েই চলছে গবেষনা। আর এই গবেষনার তালিকা থেকে বাদ পড়েনি উকুনের ওষুধ বা ম্যালেরিয়ার ওষুধ। করোনা ঠেকাতে ওষুধের খোঁজে মরিয়া হয়েছে বিশ্বের করোনা আক্রান্ত দেশগুলি।  এবার প্রতিবেশি দেশগুলির আবেদন মেনে তাঁদের ওষুধ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। 

করোনা রুখতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে এদেশের প্রশাসন। তবে করোনার জেরে প্রায় অনেক দেশের ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। যার ফলে এখন তারা ভারতের ওপরেই ভরসা করে রয়েছে। তাই এবার প্রতিটে দেশের কঠিন পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে প্রতিবেশি দেশগুলির দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। সেই মর্মে পরিকাঠামোগত দিক থেকে যে প্রতিবেশি দেশগুলি নির্ভরশীল, তাদের সাহায্য করা হবে বলে সোমবার ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। একইসাথে প্যারাসিটামল-হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে লাইসেন্সও দেবে বলে জানিয়েছে ভারত সরকার।

তবে প্রতিবেশি দেশের পাশাপাশি প্যারাসিটামল ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের মতো জীবনদায়ী ওষুধগুলি য়েই সমস্ত দেশকেও পাঠানো হবে, যারা করোনায় আক্রান্ত। এহেন ঘোষনার পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়, এই ওষুধ দেওয়ার বিষয়টির সাথে যাতে কোন ভাবেই রাজনীতিকে টেনে আনা না হয়। যদি সেরকম কিছু হয় তবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। 

আন্তর্জাতিক সমস্যার মুখে পড়ে ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন রফতানি করা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ভারতের তরফে। এমনকি এই ওষুধ আমেরিকাতেও পাঠানো হয়। কিন্তু গবেষনা বলছে এই হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন প্রয়োগে অনেক করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন। তাই বিশ্বের এই দুর্দিনে সমস্ত চাপ কাটিয়ে ফের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন রফতানি করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল ভারত। 

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons