১৪ই এপ্রিল না ও উঠতে পারে লকডাউন? কি বলছে গবেষণা?

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা ভাইরাস  রুখতে মাত্র ২১ দিনের লকডাউন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অন্তত মাস দুয়েকের নিষেধাজ্ঞা। তাহলেই কোভিড-১৯ ভাইরাসটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। এমনটাই মনে করছে দেশের দুই গবেষণা সংস্থা।

গত ২৩শে মার্চ দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘরে থাকা এবং সামাজিক দূরত্বই(সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং) করোনাভাইরাস আটকানোর একমাত্র পন্থা। শুধু ভারত নয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ এই ভাইরাস আটকাতে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইনস্টিটিউট অব ম্যাথমেটিক্যাল সায়েন্স ও ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজ নামের চেন্নাইয়ের দুই সংস্থা বলছে, করোনা রুখতে লকডাউন কার্যকারী পন্থা বটে, কিন্তু মাত্র ২১ দিনে কাজ হবে না। অন্তত মাস দুয়েক গোটা দেশকে বন্দিদশায় রাখতে হবে। কার শরীরে সংক্রমণ হয়েছে, বা হতে পারে তা মাত্র ২১ দিনে বোঝা সম্ভব নয়। কারণ অনেক সময় সুপ্ত অবস্থায় থাকছে করোনার উপসর্গ। সেক্ষেত্রে কোনও বাহক যদি অবাধে ঘরাফেরা করে ভারতের মতো জনবহুল দেশে তা বিপজ্জনক হতে পারে।

অপরদিকে চিকিৎসক অর্পণ চৌধুরী জানান, কমপক্ষে ৪৯দিনের লকডাউন এই পরিস্থিতির জন্য ভালো হতে পারে। যারা সুস্থ হয়ে ফিরেছেন তারা ফিরে আসার পরে ও ১৪দিনের সেল্ফ আইসোলেশনে থাকা উচিৎ।কারণ সুস্থ হওয়ার পরে ও আক্রান্ত ব্যাক্তির মল দিয়ে তা ফের ছড়াতে পারে।যারা চিকিৎসা করছেন তাদের কে ও সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আর্জি জানান তিনি।

ওই গবেষণা সংস্থা দুটির পরামর্শ, ২১ দিন নয় তিন দফায় অন্তত মাস দুয়েক দেশকে লকডাউনে রাখা হোক। প্রথম দফার ২১ দিন শেষ হলে দিন পাঁচেকের বিরতি দিয়ে ফের হোক ২৮ দিনের লকডাউন আবার দিন পাঁচেকের বিরতি দিয়ে হোক ২১ দিনের। একমাত্র এভাবেই করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙা সম্ভব। ইতিমধ্যে তেলেঙ্গানা ও উত্তরপ্রদেশে লকডাউন বাড়ানোর সম্ভাবনা।

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons