খাবারের জোগান না থাকায় জীবিত অবস্থায় কবর দেওয়া হচ্ছে পোলট্রির মুরগীদের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় ২১ দিনের দেশ ব্যাপী ‌যে লকডাউন ঘোষণা করা হয় তাতে করোনা সংক্রমণ রোখা গেলেও চুড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নানান বণিজ্য। এর মধ্যে সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসায়। করোনা সংক্রমণ শুরুর সময় থেকেই দেশ জুড়ে গুজব রটে মুরগী থেকে ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস এবং সেই কারণে একেবারে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় পোলট্রি ব্যবসার।

এই ক্ষতির জেরে পশ্চিম ভারতের হরিয়ানার ভিওয়ানি, দাদরী, রোহতক, এবং ঝিন্দ জেলায় পোলট্রি ব্যবসায়ীরা সহস্রাধিক মুরগী জীবিত অবস্থায় কবর দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই ঘটনার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলেন, গুজবের কারণে বিক্রি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে আয় নেই বললেই চলে। এর ফলে খাবার দিতে পারছেন না অসংখ্য মুরগীকে। এর ফলেই এই রাস্তা অবলম্বন করেছেন তাঁরা।

ভিওয়ানি জেলার এক ব্যবসায়ী জানান, গত ১০ দিনে তিনি খাদ্যের অভাবের জন্য অন্তত পক্ষে ১২,০০০ মুরগী কবর দিয়েছেন। তিনি এও জানান, করোনা গুজবের পর থেকে গত ৪ মাসে তাঁর মোট ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২৩ লক্ষ টাকার। বিশেষজ্ঞদের মতে এই অবস্থার উন্নতি এক্ষুণি হওয়া সম্ভব না, অগাস্ট মাস নাগাদ খানিকটা উন্নতি হতে পারে অবস্থার।অন্য এক ব্যবসায়ীর থেকে জানা ‌যায়, শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারই তিনি প্রায় ৬৫০০ মুরগী কবর দিয়েছেন।

এই বিষয়ে তাঁরা জানান, দেশ ব্যপী লকডাউনের জেরে পাওয়া ‌যাচ্ছেনা জোয়ার বাজরার মত খাদ্য শষ্য, তার ফলে খেতে দেওয়া ‌যাচ্ছেনা ফার্মের মুরগীদের। তাই এই অসংখ্য মুরগী একেবারে না খেতে পেয়ে মৃত্যু হলে রোগ ছড়ানোর সম্ভবনা থাকতে পারে। ফলে সেই সংক্রমণের ঘটনা রুখতেই এই পদক্ষেপ ব্যবসায়ীদের।    

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons