‘একজন গরীবও ক্ষুধার্ত থাকবে না’,১.৭ লাখ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনাভাইরাসের জেরে প্রবল আক্রান্ত ভারতীয় অর্থনী্তি।চলছে লকডাউন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে ₹১.৭ লাখ কোটির আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এছাড়়াও গরীব মানুষের সুবিধার্থে ঘোষণা করলেন আর ও কিছু পরিষেবা।

চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য, সাফাই ও আশাকর্মী অর্থাৎ জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষের জন্য আগামী ৩ মাস মাথাপিছু ₹৫০ লাখের বিমা ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কৃষি যোজনায় বর্তমানে বছরে এককালিন ৬ হাজার টাকা করে পান কৃষকরা। তবে করোনার জেরে পরিস্থিতির জন্য কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ₹২ হাজার করে জমা পড়বে, এবং তা হবে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই জানান অর্থমন্ত্রী। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনায় আগামী ৩ মাসের জন্য বিনামূল্যে মাথাপিছু অতিরিক্ত ৫ কেজির চাল বা গম দেওয়া হবে।সঙ্গে থাকবে আগের মতোই রেশন ও।

 এছাড়াও ১০০ দিনের কাজের মজুরি বাড়ানো হল। ১৮২ টাকা থেকে তা করা হল ২০২টাকা । অর্থমন্ত্রীর আশা, এর ফলে প্রায় ৫ কোটি গরীব পরিবার উপকৃত হবে।

গরীব বিধবা, বিশেষভাবে সক্ষম ও পেনশনভোগী জন্য আগামী তিন মাস ১,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তিন কোটি মানুষ উপকৃত হবেন। দুটি কিস্তিতে টাকা দেওয়া হবে। সরাসরি তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।

যে মহিলাদের জনধন যোজনায় অ্যাকাউন্ট আছে, তাঁদের আগামী তিন মাস মাসিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সরাসরি অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। আগামী তিন মাস দেওয়া হবে।  এর ফলে কোটি মহিলা উপকৃত হবেন।

যে মহিলাদের জনধন যোজনায় অ্যাকাউন্ট আছে, তাঁদের আগামী তিন মাস মাসিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সরাসরি অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। আগামী তিন মাস দেওয়া হবে। ২০.৫ কোটি মহিলা উপকৃত হবেন।

যে মহিলারা উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় রয়েছেন, তাঁদের আগামী তিন মাস বিনামূল্যে সিলিন্ডার দেওয়া হবে। ৮.৩ কোটি বিপিএল পরিবার সুবিধা পাবেন।

 দেশের ৩.৫ কোটি নথিভুক্ত ঠিকাকর্মীদের জন্য সুবিধা। ৩১ হাজার কোটি টাকার যে তহবিল আছে, তা ঠিকা কর্মীদের জন্য ব্যবহার করার নির্দেশ রাজ্য সরকারকে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রভিডেন্ট ফান্ডের নিয়মে বেশ কিছু বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যেমন, যে সকল সংস্থায় কর্মী-সংখ্যা ১০০-র কম এবং কর্মীদের ৯০%-এর বেতন ₹১৫ হাজার বা তার কম। এমন সংস্থার পিএফ বাবদ ২৪% অর্থ তিন মাসের জন্য দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। এছাড়াও ই পিএফ ও সাইট থেকে অগ্রিম অর্থ বাবদ ৭৫% প্রত্যাহারের সুযোগ থাকছে কর্মীদের কাছে।

এই আর্থিক সাহায্যের একটি বড় অংশ, দেশের গরিব মানুষ এবং করোনা ও লকডাউনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যেসব  শিল্প-ব্যবসায়ীরা সেই সংস্থাগুলির হাতে দেওয়া হবে। সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রের খবর, আর্থিক প্যাকেজ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক এবং রিজার্ভ ব্যাংক সময় মত পৌঁছেছে ।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে বুধবার থেকে গোটা দেশে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেই এই আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার।

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons