থানার পুলিশে আস্থা নেই, সিঁথি কাণ্ডে সিআইডি তদন্তের দাবি মৃতের পরিবারের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : সিঁথি কাণ্ডে থানার পুলিশের ওপর আস্থা হারিয়ে এবার সিআইডি তদন্তের দাবি জানালেন মৃত রাজকুমার সাউয়ের পরিবার। এদিন এমনটাই জানিয়েছেন মৃতের ভাই রাকেশ সাউ।

অগেই মৃতের ভাই রাকেশ সাউ এসআই সৌমেন্দ্রনাথ দাস, এসআই অরিন্দম দাস, সার্জেন্ট চিন্ময় মোহান্তি নামের  তিন পুলিসকর্মীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছিলেন । আভি‌যোগের ভিত্তিতে এই তিনজনকে ক্লোজ করে তদন্ত শুরু করে লালবাজারের গোয়েন্দা শাখা। থানার ভিতরের গন্ডগোল ও ভাঙচুর  করায় ২টো পৃথক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে, সিঁথির ঘটনায় সম্পূর্ণ তদন্ত প্রক্রিয়াটি-ই  হবে হাইকোর্টের নজরদারিতে। তাই মঙ্গলবার অন ক্যামেরা মৃতদেহের ময়নাতদন্ত  করা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশ, আদালতে  এবং মানবাধিকার কমিশনে জমা দিতে হবে ময়নাতদন্তের এই রিপোর্ট।

প্রসঙ্গত, সোমবার রাজকুমার সাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিঁথি থানায় ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের  নাম করে বছর ৫৩ ওই ব্যবসায়ীকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশ। রাজকুমারের পরিবারের তরফে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। তবে পুলিশের তরফে সেই অভি‌যোগ উড়িয়ে দিয়ে জানানো হয়, সোমবার সকাল ১১ টা নাগাদ রুটিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজকুমার সাউকে  থানায় ডেকে পাঠানো হয়। পুলিশের দাবি আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। ছাঁট লোহার ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সন্ধে ৬টার দিকেও অবস্থা ঠিক না হওয়ায় তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। কিন্তু সেখানেই মৃত্যু হয় রাজকুমারের।     

রাজকুমারের পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যে ছ’টা নাগাদ সিঁথি থানা থেকে ফোন করে রাজকুমারের মৃত্যুসংবাদ দেওয়া হয়। তিনি ‌অসুস্থ ছিলেন না বলেও দাবি করেন মৃতের পরিবার। তাঁরা অভি‌যোগ করেন, পুলিশের মার খেয়েই মৃত্যু হয়েছে রাজকুমারের। এমনকি থানায় আটকে রাজকুমারকে বিদ্যুতের শক দেওয়া হয়েছে বলে অভি‌যোগ তুলেছেন তাঁরা।

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons