‘চিকিৎসার মাধ্যমেই কমছে করোনার ভয়াবহতা’, আশার বাণী শোনাল হু

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : শুধু লকডাউন নয়, করোনার মতো মারণ রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে ভ্যাকসিন আবিষ্কারই একমাত্র পথ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু-এর এমন দাবির পরেই বিশ্বের একাধিক দেশের গবেষকরা করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারে মরীয়া হয়ে উঠেছেন। এমনকি তাঁদের সেই উদ্ভাবনের দিকেই তাকিয়ে বিশ্বের প্রতিটি মানুষ। এই পরিস্থিতিতে ফের নতুন করে আশার বাণী শোনাল হু। এবার হু-এর তরফে জানানো হল, ভ্যাকসিন ছাড়াও বেশ কয়েকটি চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, যেগুলির মাধ্যমে করোনা সংকট থেকে মুক্ত হতে পারে গোটা বিশ্ব। এমনকি কমতে পারে অসুস্থতার দৈর্ঘ্যও। তাই সেই সমস্ত চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে এবার গবেষনার পরামর্শ দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এবিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলেন, “একেবারে প্রাথমিক পর্যবেক্ষন থেকে জানা গিয়েছে, এমন কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি আছে, যা এই রোগের ভয়াবহতা এবং অসুস্থতার দৈর্ঘ্য কমাতে পারে। তবে এখনও আমাদের হাতে এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসাবে কোন ওষুধ আসেনি যা এই ভাইরাসকে মেরে ফেলতে পারে বা আটকে দিতে পারে।” হু-এর তরফে জানানো হয়, তাঁরা বেশ কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন। তার মধ্যে বেশ কিছু পদ্ধতি ব্যবহারে ইতিমধ্যেই ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। এবিষয়ে মার্গারেট হ্যারিস জানান, “আমরা বেশ কিছু জায়গা থেকে ভাল খবর পাচ্ছি। তবে, এখনও আরও কিছুটা সময় লাগবে, করোনার জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা পদ্ধিতি অনুসন্ধান করতে।”

ইতিমধ্য়েই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ১০০ টি টিকা নিয়ে কাজ করে চলছেন গবেষকরা। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষেধক মানব শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগও করা হয়েছে। তবে আবিষ্কৃত সেই সমস্ত ভ্যাকসিন কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েই এদিন আরও একবার সংশয় প্রকাশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাই টিকা বা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথ চেয়ে বসে না থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চললেই অনেকাংশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্তি মিলবে বলে জানাচ্ছে হু।

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons