শুধু নাক বা গলা নয়, চোখেও বাসা বাঁধতে পারে করোনা, চাঞ্চল্য গবেষণায়

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে ইতিমধ্য়েই একাধিক গবেষণা করেছেন বহু গবেষক। আবার এখনও চলছে অনেক গবেষণার কাজ। কোন গবেষণা আমাদের ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে তো কোন গবেষণায় নতুন করে ছড়াচ্ছে চাঞ্চল্য। ইতিমধ্য়েই সিঙ্গাপুরেের একদল গবেষক জানিয়েছেন, চলতি বছর মে মাসের মধ্যেই বিশ্বের বহু দেশ থেকে বিদায় নেবে করোনা ভাইরাস। তবে এবার ইটালির এক মেডিক্যাল জার্নালে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। যেখানে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, আক্রান্ত হওয়ার পর যদি কোন রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন, তাও আক্রান্তের চোখের মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে মারণ ভাইরাস করোনার জীবাণু। এই তথ্য প্রকাশ্য়ে আসার পর থেকেই ফের নতুন করে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। 

সম্প্রতি ইটালির ওই অনলাইন মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ইটালিতে যে ৬৫ বছরের মহিলা প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁঁর চোখেই প্রথম করোনার হদিশ মেলে। চিনের উহান ফেরত ওই মহিলার শরীরে দিন কয়েকের মধ্যেই করোনার নানা উপসর্গ দেখা যায়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শুকনো কাশি, গলা ব্যথা, নাকে জ্বালা থাকলেও তাঁর চোখে কংজাইটিভাইটিসের উপসর্গও ধরা পড়ে।

হাসপাতালের তরফে জানা গিয়েছে, প্রথমে যখন তাঁর লালারস পরীক্ষা করা হয়, তখন জানা যায় তাঁর করোনা পজেটিভ। এরপর এই মহিলার চোখ থেকে সোয়্যাবের নমুনা সংগ্রহ  করা হয়। টেস্টের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর দেখা যায় তাতে করোনার জীবাণুর আরএনএ রয়েছে। জার জেরে তাঁর চোখ থেকে অনবরত জল পড়ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। 

এবিষয়ে ইটালির ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর ইনফেক্সন ডিজিজজ-এর গবেষকেরা জানান, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠার পরেও ২১ দিন তাঁর চোখে করোনার জীবাণু থেকে যেতে পারে। তবে সেসময় নাকে করোনার জীবানু না থাকার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। তবে চোখ থেকে জল পড়ার সময় এই ভাইরাসের বংশবিস্তার ক্ষমতা সক্রিয় থাকায় ঘনঘন চোখ-নাক-মুখ স্পর্শ করতে নিষেধ করছেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, ইটালির ওই মহিলা সুস্থ হয়ে ওঠার ২৭ দিন পরেও চোখের তরলে করোনার হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons