আতঙ্কের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার গবেষণাগারে শুরু হল করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা আতঙ্কে ভয়ের মধ্য়ে দিন কাটাচ্ছেন বিশ্ববাসী। এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বিভিন্ন দেশের প্রশাসনের তরফে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। কিন্তু তাও ঠেকানো যাচ্ছেনা এই ভাইরাসের সংক্রমণ। দিনের পর দিন যেমন বিশ্বে সংক্রমণের মাত্রা বাড়ছে, তেমনই তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে এই ভাইরাসের উপযুক্ত ভ্যাকসিন বা অ্যান্টি ডোজ তৈরি করতে দেশগুলি মরিয়া হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্য়েই এক দল গবেষক অস্ট্রেলিয়ার গবেষণাগারে এই ভাইরাসের দুটি ভ্যাকসিনের পরীক্ষার কাজ শুরু করেছেন বলে জানা গিয়েছে। 

সুত্রের খবর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু এই ভ্যাকসিন প্রাণীর শরীরের প্রয়োগ করার অনুমতি দিয়েছে। যদি প্রাণীর শরীরে প্রয়োগ করার পরে ওই ভ্যাকসিন সফল হয়, তাহলেও তা বাজারে আসতে অনেকখানি সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

প্রথমে ইঁদুর, তার পর খরগোশ এবং শেষ বাঁদরের শরীরে প্রয়োগ করা হবে এই ভ্যাকসিন। এই তিনটি ধাপে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই ওই ভ্যাকসিন মানব দেহে প্রয়োগের উপযুক্ত কীনা তা খতিয়ে দেখবে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থা। তবে এই প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষকদের কথায় করেনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হতে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। কারণ শুধুমাত্র পরীক্ষামূলক প্রয়োগই নয়, তার পরেও একাধিক ধাপ উত্তীর্ণ হতে পারলে তবেই তা মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা যাবে। 

ইতিমধ্যেই চিন সহ আমেরিকা, জাপান, ব্রিটেন ও ভারতের বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। ভারতে এনআইআই বা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইমুউনোলজিতে দেশের সেরা দশজন বিজ্ঞানী এই ভাইরাসের টিকা তৈরির কাজ শুরু করছে। 

 

 

 

 

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons