পরিযায়ীদের জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত, সোনার দোকান করলে সরঞ্জাম জোগাবে রাজ্য

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন। যার জেরে কাজ হারিয়ে এবার নিজ নিজ দেশে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। কাজ হারিয়ে বাড়ি ফিরলেও কীভাবে পরিবারের মানুষগুলোর অন্ন সংস্থান করবেন তা নিয়েই এখন চিন্তা সেই মানুষগুলের। আর তাই তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল সরকারের তরফে।

এবার ভিন রাজ্য থেকে ফিরে আসা সোনা-রুপোর দক্ষ শ্রমিকদের দোকান খোলা বা এই কাজে নিযুক্ত থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জোগানো হবে বলে এদিন জানিয়ে দিলেন কালনার ধাত্রীগ্রামে এ কথা জানান মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। শুক্রবার তাং এহেন ঘোষনার পর পরিযায়ী শ্রমিকদের একাংশ খুশি হলেও অনেকের মত, সরকার যাতে সকলকে এককালীন একটা টাকা দেয়। যা নিয়ে সকলে নিজের পছন্দ মতো কাজ করতে পারবে। অনেকের কথায়, বর্তমানে করোনার জেরে সোনার চাহিদায় অনেকখানি ভাটা পড়েছে। তাই এই ব্যবসায় কতখানি মুনাফা অর্জন সম্ভব সেটাই এখন সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান সহ আরও বেশ কিছু রাজ্যে সোনা-রুপোর কাজ করতে যান। কালনা মহকুমাতেও এধরনের বহু শ্রমিক রয়েছেন। তাঁদের মধ্য়ে অনেকেই মারণ ভাইরাস করোনার ভয়ে নিজের ভিটে-মাটি ছেড়ে ভিন রাজ্যে কাজ করতে যেতে নারাজ। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এবিষয়ে মুম্বই ফেরত কালনার ধোবার আশাদুল মল্লিক (সোনা-রুপোর কারিগর) বলেন, ‘আমার রোজগারে সংসার চলত। লকডাউনের আগে বোনের বিয়ে দিয়েছিলাম। বাজারে লাখদুয়েক টাকা দেনা। এখন এখানেই কিছু করতে চাই। সরকার বরং এককালীন সাহায্য করুক। তাতে যে যার নিজের ইচ্ছামতো ব্যবসা করবে।’ এমন আরও অনেক পরিযায়ী শ্রমিক সেখানে রয়েছেন যাঁরা সরকারি সহায়তা পেলে নতুন করে কোন ব্যবসা শুরু করতে চান। 

অন্যদিকে কালনা মহকুমা স্বর্ণশিল্পী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক ধীমান দত্ত বলেন, ‘ভিন রাজ্যে যাঁরা কাজ করতে যান, তাঁদের এখানে পোষাবে না। ওখানে কাজের ধরন আলাদা। সরকার বরং সোনার ব্যবসায়ীদের জন্য লোনের ব্যবস্থা করুক। সেখানে ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া যুবকরা সুযোগ পাবে।’

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons