তিহাড়ে প্রথম রাত কেমন কাটল কেষ্টার?

গরুপাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত মণ্ডল আপাতত রয়েছেন দিল্লির তিহাড় জেলে । তবে প্রথম রাতে আলাদা ঘরেই রাখা হয়েছিল তাঁকে । আজ থেকে সেলে থাকতে দেওয়া হবে । কিন্তু কেমন কাটল প্রথম রাত? জানা যাচ্ছে, শ্বাস কষ্টের সামান্য সমস্যা ছিল রাতে । সেই কারণে জেলের হাসপাতালের চিকিৎসকরাই দেখেন কেষ্টাকে । প্রয়োজন বুঝে রাতে অক্সিজেন সিলিন্ডারেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল । তবে নতুন জায়গা! অনুব্রতর ঘুমের সমস্যা হয়েছে বেজায় ।

তাছাড়াও মনমরা ছিলেন বীরভূমের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল । কারণ তিহাড়ে পৌঁছেও প্রথম দিনে দেখা পাননি পরিচিত কাউকেই । পরিচিত অর্থাৎ, সায়গল হোসেন, সতীশ কুমার, মণীশ কোঠারি । রাতে নিজের ওষুধ না পাওয়াতেও কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছিল দোর্দণ্ড প্রতাপ অনুব্রতকে । কিন্তু এটাই নিয়ম! জেলের নিয়ম অনুযায়ী কোনোরকম ওষুধ নিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি অনুব্রতকে । প্রেসক্রিপশন মিলিয়ে জেলের হাসপাতাল থেকে জেলের ডাক্তাররাই ওষুধ এনে দেন । তবে ওষুধের পাতা গুলো পরিচিত না হওয়ায় সাময়িক ঘাবড়ে যান, বুঝতে সময় লাগে কোন ওষুধ খাবেন ।

এরপরে রাতে খেতে দেওয়া হলে ‘শান্তিতে’ খেতেও পারেননি অনুব্রত । সূত্র মারফৎ খবর, রুটি খেতে দেওয়া হলে তা খেতে পারেননি কেষ্টা। তার বদলে খেয়েছেন, ভাত, ডাল, সবজি । আপাতত একজন জেল আধিকারিকের পর্যবেক্ষণে আছেন গরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত । জেলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম কয়েকদিন নতুন বন্দীদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা না পাওয়া গেলে তবেই অন্য বন্দীদের সঙ্গে রাখা হয় । তবে যেহেতু জেল নং ৭ শুধুমাত্র PMLA কেসে বন্দীদের জন্য বরাদ্দ, সেই কারণে ‘হাই প্রোফাইল’ বন্দীরা থাকে এই জেলে। কিন্তু এই জেলে রাখার আগে নজরদারিতে বাড়তি জোর দেওয়া হয় ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube