জীবিত স্বামী তবুও স্ত্রীর ভাগ্যে বিধবা ভাতা!

স্বামী জীবিত থাকা সত্ত্বেও বিধবা ভাতা মিলছে স্ত্রীর ! সূত্রের খবর, বৈদ্যপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক পাল সে জীবিত থাকা সত্ত্বেও তার স্ত্রী মিলনরানী পাল বিধবা ভাতা পাচ্ছেন । আর এই বিষয়টি জানাজানি হতে সময় লাগেনি বেশি । বিধবা ভাতা পাওয়া নিয়ে মিলনরানী পাল জানান, তাঁরা পঞ্চায়েতে বার্ধক্য ভাতার জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন । কিন্তু কি করে সেটা বিধবা ভাতা হয়ে গেল, বলতে পারছেন না। তবে তার স্বামী রয়েছেন সে কথা নিজের মুখেই বলেন মিলনরানী। এর আগে লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন । এখন তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মিলনরানীর বর্তমান বয়স ৬০ বছর ।

এই প্রসঙ্গে বৈদ্যপুর-এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান কৃষ্ণ রায় অবশ্য বলেন, দুয়ারে সরকার প্রকল্পে অনেকেই বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। সেখানে ভুলবশত বার্ধক্য ভাতার পরিবর্তে বিধবা ভাতা হয়ে গিয়েছে। এখানে পঞ্চায়েত বা আবেদনকারীর কোন ভুল নেই। তবে এর পেছনে বিজেপির চক্রান্ত রয়েছে। বিজেপি এই সমস্ত কাজ করাচ্ছে।

যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বৈদ্যপুর-এক নম্বর অঞ্চল সভাপতি বিজেপির অনুকূল সরকার বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের এটা কালচারে পরিণত হয়েছে। স্বামী জীবিত থাকা সত্ত্বেও মৃত প্রমাণিত করে, সেই ভাতার টাকা এরাই তুলে খাচ্ছে। অথচ দায় চাপাচ্ছে বিজেপির নামে। অঞ্চলটা তৃণমূলের দখলে। আর এই সরকার চোরদের সরকার, দুর্নীতির সরকার।

রানাঘাট দু’নম্বর ব্লকের ভিডিও খোকন বর্মন বলেন, আমার কাছে এখনো লিখিতভাবে কোনও অভিযোগ আসেনি। তবে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম বিষয়টি ঘটেছে। মিলনরানী পালকে আমরা শীঘ্রই নোটিশ করছি। সাত দিনের মধ্যে তাকে তলব করা হচ্ছে। যদি উনি এই কাজটি করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উনার একাউন্টে যে টাকা ঢুকেছে, সেটা নিয়মমাফিক ফেরত নেওয়া হবে এবং আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube