Notice: Undefined offset: 0 in /home4/newstime/public_html/wp-content/themes/newsium/functions.php on line 406

কোভিড রোগীর পরীক্ষায় গলদ, পজিটিভ রোগীকে বাড়ি পাঠালো এমআর বাঙ্গুর

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যেই করোনা পরীক্ষায় ভুল, কোভিড পজিটিভ রোগীকে বাড়ি পাঠলো সরকারি হাসপাতাল। সেই ভুল ভাঙল প্রায় ২৪ ঘন্টা পর। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে ‌যাওয়া হয় স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরের দিনই মৃত্যু হল রোগীর। এই নিয়ে ক্ষুব্ধ রোগীর পরিবার।

ব্যক্তির পরিবারের সমস্ত সদস্য সংক্রমণের আশঙ্কায় রয়েছেন। পরিবারে আছে এক ৭ মাসের শিশুও। সংক্রামিত ব্যক্তি প্রায় ২৪ ঘন্টা কাটালেন তাঁর পরিবারের সাথে। এবিষয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চৌধুরীকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, বিষয়টির সম্পর্কে তিনি অবগত, এবং সবিস্তারে এর খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

আমহার্স্ট স্ট্রীটের বাসিন্দা ঐ বৃদ্ধের গত ১৮ই এপ্রিল থেকে জ্বর সর্দি কাশির মত উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁর ছেলে জানান, গত ২২ শে এপ্রিল তাঁকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে তাঁদের আগে এম আর বাঙ্গুর বা বেলেঘাটা ‌যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেখানে নিয়ে গেলে তাঁকে ভর্তি করে নেওয়া হয়।

গত ২৬শে এপ্রিল স্বাস্থ্য দফতর থেকে তাঁদের জানানো হয় বৃদ্ধের পরীক্ষার ফল পজিটিভ এবং পরিবারের সকলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলে হয়। কিন্তু  সেই দিনই আবার হাসপাতাল থেকে ফোন করো জানানো হয়, তাঁর বাবার পরীক্ষার ফল নেগেটিভ, তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। ফলে সেই রাতেই তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়।

এরপরের দিন স্বাস্থ্য  ভবন  থেকে ফোন এলে তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে তাঁর বাবার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে এবং তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরই ফের ফোন করে তাঁদের জানানো হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে একটি ভুল হয়ে গেছে তাঁর বাবার রিপোর্ট আসলেই পজিটিভ। এবং ফের তাকে আবার নিয়ে ‌যাওয়া হয় হাসপাতালে।

ব্যক্তির পরীবারের অভি‌যোগ, প্রথমে হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও  ভালোই ছিলেন তিনি। এমনকি নিজে পায়ে হেঁটে অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন। কিন্তু হাসপাতালের ‌যাওয়ার পরই রাত ১১টায় জাননো হয় তাঁর অবস্থা ভালো নয়। এবং তার পরের দিনই তিনি মারা গেলেন। গোটা ঘটনা নিয়ে অত্যন্ত আতঙ্কিত পরিবার।

আগামী ৪ই মে গোটা পরিবারের করোনা পরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয় স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে। কিন্তু হাসপাতালে ‌যাওয়ার পর বৃদ্ধের অবস্থার অবনতির জেরে হাসপাতালে ‌যেতে নারাজ তাঁর পরিবার।

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons