উৎসবের মরশুমে বিনামূল্যে মাংস-ভাত খাওয়াবে ‘মমতাময়ীর হেঁশেল’

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : মমতার মমতা, দিদির রান্নাঘরের পর এবার মমতাময়ীর হেঁশেল। সামনেই উৎসবের মরশুম। আর সেইসময় কেউ অভুক্ত থাকবে তা কি হয়? তাই উৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে নয়া উদ্যোগ নিলেন কলকাতা পুরসভার ১২ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সুশান্ত কুমার ঘোষ। এই উদ্যোগের নাম ‘মমতাময়ীর হেঁশেল’। দুর্গাপুজোর সময় পঞ্চমী থেকে দশমী, রোজ বিনামূল্যে পেট ভরে খাওয়ানোর বন্দোবস্ত করেছেন পুরসভার প্রশাসক। শুধু তাই নয়, একেবারে মাংস-ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করেছেন। প্রত্যেক দিন হাজার খানেক মানুষকে কুপন বিলি করা হবে। সেই কুপন দেখিয়েই মিলবে খাবার। এই উদ্যোগের ট্যাগলাইনও দেওয়া হয়েছে অভিনব। ‘উৎসবের মরশুমে কেউ খাবে আর কেউ খাবে না, তা হবে না তা হবে না!’

করোনা সংকটকালে লকডাউনের মধ্যে দুস্থদের পাশে দাঁড়াতে নামমাত্র খরচে দুবেলা দুমুঠো খাবারের বন্দোবস্ত করেছিল বামপন্থী ছাত্র-যুবরা। শ্রমজীবী ক্যান্টিন এখন যাদবপুর থেকে ছড়িয়ে পড়েছে গোটা রাজ্যে। বামেদের থেকেই কি তবে অনুপ্রেরণা পেলেন তৃণমূল নেতা? তবে তিনি বলছেন এমনটা নয়। উৎসবের মরশুমে সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতেই এই উদ্যোগ। সারাবছর রাজ্যের শাসকদল সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকে। যে কোনও আপদে-বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। সুশান্ত ঘোষও বছরভর সমাজকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত থাকেন। মমতাময়ীর হেঁশেলও সেরকমই কর্মসূচি। উৎসবের মরশুমে জনসংযোগেরও বড় মাধ্যম এমন আয়োজন। পঞ্চমী থেকে দশমী, দিনে প্রায় হাজার খানেক মানুষকে কুপনের বিনিময়ে বিনামূল্যে মাংস-ভাত খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে খাবার পরিবেশন।

এর আগে হাওড়ায় তৃণমূলের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ‘মমতার মমতা’ ক্যান্টিন। সেটাও রমরমিয়ে চলছে। তারপর বারাকপুরে ক্লাব সমন্বয় কমিটি এবং বারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভার মুখ্য প্রশাসকের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ‘দিদির রান্নাঘর’। মাত্র পাঁচ টাকায় পেট ভরে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে তৃণমূলের উদ্যোগে। এবার উৎসবের মরশুমে সুশান্ত ঘোষের মমতাময়ীর হেঁশেল নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons