উঠে গেল ব্যারিকেড, হাথরাসে কেবল ঢুকতে পারবে সংবাদমাধ্যম

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : গতকাল একাধিক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে লুকোচুরি খেলা ও ঘরে-বাইরে চাপে পড়ে অবশেষে হাথরাসের সীমানা থেকে পুলিশ ব্যারিকেড তুলে নিল যোগী প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকে হাথরাসে কেবলমাত্র সংবাদমাধ্যমের প্রবেশে ছাড়পত্র দেওয়া হল। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক নেতা বা প্রতিনিধি এই সীমানা টপকাতে পারবে না।

হাথরাস জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত একেবারেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। এর পিছনে অন্য কোনও কারণ নেই। গত দু’দিন ধরে কেন এই সীমানা বন্ধ ছিল, এর উত্তরে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রথমে পরিস্থিতি কেমন হবে তা বোঝা যায়নি, সেই কারণে সবার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই ব্যারিকেড করা ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হওয়ায় কেবলমাত্র সংবাদমাধ্যমকেই এখন গ্রামের মধ্যে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হল।

তবে যোগী প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধীরা একহাত নিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, গতকাল সারাদিন ধরে যেভাবে সংবাদমাধ্যমকে আটকানো হয়েছে, তাতে নেতিবাচক বার্তা গিয়েছে সব মহলেই। এই নিয়ে রাতে বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী টুইট করে যোগীকে একহাত নেন। সূত্রের খবর, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এই লুকোচুরি খেলার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর দিল্লি থেকে যোগীর উপর চাপ বাড়তে থাকে। এরপরেই এদিন সকালে হাথরাসের ভিতরে কেবলমাত্র সংবাদমাধ্যমকে ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, জানা যাচ্ছে গত পরশু পুলিশের হাতে হেনস্থা হওয়ার পর শনিবার ফের হাথরাস যাচ্ছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি। এদিন তিনি গ্রামে গিয়ে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছেন। যদিও যোগীর পুলিশ তাঁকে সেখানে যেতে দিতে নারাজ। সেই কারণেই এই প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে সংবাদমাধ্যমে কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেত্রে তা দেওয়া হয়নি। ফলে বলাই যায়, ফের রাহুলকে ঘিরে শনিবার দুপুরে উত্তপ্ত হতে চলেছে হাথরাসের সী্মান্ত। তবে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকারে সায় দিয়ে সামান্য হলে নিজেদের দোষ খণ্ডন করেছে যোগী প্রশাসন, মত ওয়াকিবহালমহলের।

Inform others ?
Show Buttons
Hide Buttons